Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Hooghly

‘ওর ফাঁসি হোক,’ কানাইপুরে নাবালিকা ধর্ষণে ছেলের মৃত্যুদণ্ড চান মা, ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের

আগামী ১২ জুন শ্রীরামপুর পকসো আদালতে অভিযুক্তকে পেশ করা হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৫, ২০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৫, ২০:৪৭

options
link
‘ওর ফাঁসি হোক,’ কানাইপুরে নাবালিকা ধর্ষণে ছেলের মৃত্যুদণ্ড চান মা, ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের zoom
ঘটনার পুনর্নির্মাণ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

সুমন করাতি, হুগলি: কানাইপুরে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃতের ফাঁসি চাইলেন অভিযুক্তের মা। ছেলে যে অপরাধ করেছে তার ক্ষমা হয় না। যে-কোনও শাস্তিই তার জন্য কম। একথা জানিয়ে ছেলের ফাঁসি চেয়েছেন অভিযুক্তের মা।

মঙ্গলবার উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছে। অভিযুক্ত কে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় তদন্তকারীরা। ঘটনার দিন অভিযুক্ত নাবালিকাকে বাড়ি থেকে কীভাবে নিয়ে গিয়েছিল? তারপর কোন দোকান থেকে বিস্কুট কেনে? সঙ্গে অপরাধ স্থল পুলিশকে দেখায় অভিযুক্ত। ঘটনার পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয় এলাকায়। নাবালিকার বাড়ি থেকে শুরু করে গোটা রাস্তায় ছিল ব্যাপক পুলিশি প্রহরা।

Advertisement

আগামী ১২ জুন শ্রীরামপুর পকসো আদালতে অভিযুক্তকে পেশ করা হবে। তার আগে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে চাইছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে পুলিশ। যা আগামী শুনানির সময় আদালতে পেশ করা হবে।

এদিন ঘটনার পুনর্নির্মাণের কথা জানতে পেরে অভিযুক্তের মা চোখ মুঝতে মুঝতে বলেন, “ছেলে যে নোংরা ঘটনা ঘটিয়েছে তার জন্য যে-কোনও সাজা ছোট। আমি মা হয়ে চাই ছেলে কখনও ছাড়া না পাক। ছেলের জন্য অন্য এক মায়ের কোল খালি হয়েছে। ওর ফাঁসি হোক।”

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে হুগলির কানাইপুরের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বছর তেরোর নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রতিবেশী যুবক তাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে তুলে নিয়ে যায়। রাতে অভিযুক্ত ফিরে এলেও পাওয়া যায়নি নাবালিকাকে। পরে যুবকও বেপাত্তা হয়ে যায়। ৪৮ ঘণ্টার পর নপাড়ার বাঁশঝাড় থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ। তাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। দেহ উদ্ধারের পরই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। পুলিশ ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। ২ জুন শ্রীরামপুর পকসো আদালতে পেশ করে অভিযুক্তকে দশ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেয় তদন্তকারীরা। পরবর্তী শুনানির আগে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.