Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
MP Mimi Chakrabortty

মানবিক মিমি, ১০ জন যক্ষ্মা রোগীকে দত্তক নিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ

সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে অভাব-অভিযোগ শোনেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৩, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৩, ২১:১৬

options
link
মানবিক মিমি, ১০ জন যক্ষ্মা রোগীকে দত্তক নিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: তৃণমূলের তারকা সাংসদের মানবিক মুখ। ১০ জন যক্ষ্মা রোগীকে দত্তক নিলেন মিমি চক্রবর্তী। ভাঙড়ের নলমুড়ি ব্লক হাসপাতালের অব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগও শুনলেন তিনি। সম্প্রতি ওই হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন যাদবপুর লোকসভার সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। বুধবার তিনি রোগীকল্যাণ সমিতির বৈঠকে যোগ দেন। সেই সময় সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ।

রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার নলমুড়ি হাসপাতালে আসেন মিমি। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি প্রথম রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠক করেছিলেন। মিমি ছাড়াও বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দীপ্যমান মজুমদার-সহ অন্যান্যরা। এদিন বৈঠক শেষে বেরনোর পর সুরজ মোল্লা নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা চিৎকার করে বলেন, “ম্যাডাম আপনার সঙ্গে হাসপাতালের সমস্যা নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।”

Advertisement

Mimi

[আরও পড়ুন: করমণ্ডল দুর্ঘটনার রেশ কাটার আগেই ওড়িশায় ফের রেলে বিপত্তি, মৃত্যু ৪ জনের]

এরপরই মিমি চক্রবর্তী গাড়ি থেকে নেমে আসেন। সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে যান। অভাব-অভিযোগ শোনেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সাংসদকে বলেন, “পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে হাসপাতালে। তাছাড়া নিয়মিত হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় না। হাসপাতাল চত্বরের মধ্যে বাতিস্তম্ভের আলো ঠিকমতো জ্বলে না। অধিকাংশ সময় রোগীদের রেফার করে দেওয়া হয়।” অভিযোগ শোনার পর সাংসদ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, বিডিও, পঞ্চায়েত প্রধানকে নির্দেশ দেন অবিলম্বে হাসপাতাল চত্বরের আলো মেরামত করে ছবি তুলে পাঠাতে। নিয়মিত হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার রাখারও নির্দেশ দেন।

মিমি চক্রবর্তী বলেন, “কিছু সমস্যা রয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা উন্নত পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।” তিনি একটি শংসাপত্র দেখিয়ে বলেন, “হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নিরিখে আমরা রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছি। আমাদের লক্ষ্য প্রথম স্থান অধিকার করা। পানীয় জলের জন্য সাবমার্সাল, রোগীর আত্মীয় পরিজনদের জন্য শেড, ইসিজি মেশিনের জন্য টাকা ধার্য করা হয়ে গিয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে। তবে এক্ষেত্রে ইসিজি মেশিন চালানোর জন্য অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের সমস্যা রয়েছে। হাসপাতালের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কীভাবে পরিষেবা দেওয়া যায় তা দেখা হচ্ছে। অপারেশন থিয়েটারে এসি বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

Mimi Chakrabortty

তিনি আরও বলেন, “আমরা রোগীর রেফার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। রেফার না করে কীভাবে মানুষকে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যায় তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” এদিন ১০ জন টিবি রোগীকে দত্তক নেন মিমি চক্রবর্তী। উল্লেখ্য, নলমুড়ি ব্লক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এমনিতে ওই হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক কম রয়েছেন। মাত্র চার জন চিকিৎসক রোগী পরিষেবা দেন। অথচ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ জনের বেশি রোগী আসেন। এছাড়া সাফাই কর্মী বা অন্যান্য কর্মীর সমস্যা রয়েছে।

[আরও পড়ুন: ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে তদন্ত ১৫ জুনের মধ্যে! কেন্দ্রের আশ্বাস পেয়েই স্থগিত কুস্তিগিরদের বিক্ষোভ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.