Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নিজের ছবির সংলাপ বলে শুরু ভোটের প্রচার, আসানসোল মাতালেন মুনমুন সেন

ভিনকেন্দ্র হলেও, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারকা প্রার্থী৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০১৯, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০১৯, ২১:১৬

options
link
নিজের ছবির সংলাপ বলে শুরু ভোটের প্রচার, আসানসোল মাতালেন মুনমুন সেন zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: তারকা প্রার্থী৷ বহু সিনেমায় মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন৷ তিনিই এখন ভোটপ্রার্থী৷ দ্বিতীয়বার তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে প্রচারে তাই নিজের অভিনীত সংলাপকে কাজে লাগালেন মুনমুন সেন৷ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা হওয়ার পর রবিবার আসানসোল থেকে প্রথম প্রচারে নামলেন এই বাঁকুড়ার গতবারের বিদায়ী সাংসদ মুনমুন৷ সেখানেই জনগণের সামনে তুলে ধরলেন তাঁর অভিনীত ‘অমর কন্টক’ সিনেমার বিখ্যাত গানের দুটি লাইন – ‘অন্ধকারে আলো দিতে পুজোর প্রদীপ হয়ে জ্বলো। নিজের কথা ভুলে গিয়ে মানুষেরই কথা বলো।’ 

বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে বঁটির উপর পড়ে মৃ্ত্যু যুবকের

২০১৪-এ তিনি লড়াই করেছিলেন বাঁকুড়া থেকে৷ হারিয়েছিলেন প্রখ্যাত সিপিআই নেতা বাসুদেব আচারিয়াকে৷ এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে৷ লড়ছেন আসানসোল কেন্দ্র থেকে৷ প্রচার শুরুর আগে এদিন কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়েছেন মুনমুন সেন৷ সেখানে বিয়ে করতে যাওয়া নবদম্পতিকে আর্শীবাদ করলেন, ভক্তদের আবদারে সেলফিও তুললেন৷ এরপর মহামিছিলে হাঁটলেন, কখনও সাধারণ মানুষের মতো রিকশায় চেপে পড়লেন। চড়লেন ম্যাটাডোর ভ্যানেও৷ সব শেষে মঞ্চে উঠে বললেন, ‘মাথার ওপর সূর্য থাকে, যে দিনের শেষে ডুব দেওয়ার আগে অনেক কিছু  শিখিয়ে দিয়ে যায়। সেই সূর্য ছিলেন মা। এখন সূর্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আমি তাঁর চাঁদ। তিনিই এখানে পাঠিয়েছেন। চারপাশে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা সবাই তারকা।’ এপ্রসঙ্গে মুনমুন সেন মলয় ঘটক, ভি শিবদাসানি, জিতেন্দ্র তিওয়ারি অর্থাৎ আসানসোলের তৃণমূল নেতৃত্বকে কৃতিত্ব দিয়ে জানিয়েছেন, ‘এঁরা সব রিয়েল স্টার। মানুষের জন্য কাজ করেন।’ এরপর তিনি যখন বলেন, ‘মানুষের ভালবাসা নিয়ে এখানে গ্রামে গ্রামে গিয়ে একসঙ্গে কাজ করব’, তখন করতালিতে ভরে ওঠে মঞ্চ।

Advertisement

 

নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন ‘ডাক্তারবাবু’ মৃগাঙ্ক মাহাতো

বেলা দুটো নাগাদ আসানসোলের নিঘা মোড়ে দু’নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে মুনমুন সেন পৌঁছান। মুম্বই থেকে দমদমে নেমে সোজা সড়কপথে চলে যান আসানসোলে।  সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। নানা প্রশ্নের উত্তর বেশ সুকৌশলেই দিয়েছেন, আর সর্বক্ষণ ধরে রেখেছিলেন মুখের হাসিটি৷ প্রশ্ন ওঠে প্রতিপক্ষ হিসাবে বাবুল সুপ্রিয়কে কতটা শক্তিশালী মনে করছেন তিনি। উত্তরে মুনমুন সেন বলেন, ‘আমি ওঁর বাবাকে চিনি। তিনি আমাকে বলেছিলেন ওকে বোঝাতে যে গান ছেড়ে রাজনীতি যেন না করে৷’ তবে নিজের জয়ের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী তারকা প্রার্থী৷ বাঁকুড়ায় গত ৫ বছরে কী কী কাজ করেছেন, তার খতিয়ানও তুলে ধরেন৷

বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ প্রায় দশহাজার মানুষের মিছিলে ট্রাফিক জিমন্যাশিয়াম মোড় থেকে তিনি হাঁটতে শুরু করেন। কিছুটা হেঁটে মন্ত্রী ও বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে খোলা গাড়িতে চড়েন। এইভাবেই গির্জা মোড়ে জনসভার মঞ্চ পর্যন্ত তিনি পৌঁছান। মঞ্চে উঠে ছোট্ট বক্তব্য রাখেন। তাতেই করতালি আর স্লোগান সব আওয়াজ ছাপিয়ে যায়। বিশাল জনসভা ও বহুমানুষের সমাগম দেখে আপ্লুত সুচিত্রা কন্যা৷ তাঁর কথায়, উন্নয়নই একমাত্র প্রগতির দিকে নিয়ে যাবে সমাজকে৷ প্রথম দিনের প্রচারেই বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ফের জিততে এসেছেন৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.