Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬

কন্যাশ্রীর টাকা বাঁচিয়ে শৌচালয়, পথ দেখাল মুর্শিদাবাদের সাবিনা

মিশন নির্মল বাংলায় শামিল নীরব যোদ্ধা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১১:৩৫

options
link
কন্যাশ্রীর টাকা বাঁচিয়ে শৌচালয়, পথ দেখাল মুর্শিদাবাদের সাবিনা zoom

অতুলচন্দ্র বাগ, ডোমকল: বাড়িতে শৌচাগার না থাকার সমস্যা ছোটবেলা থেকেই দেখেছে মুর্শিদাবাদের রানিনগরের সাবিনা ইয়াসমিন। শৌচালয় না থাকায় বাড়ির সকলকে ছুটতে হয়েছে মাঠে-ঘাটে। তাই কন্যাশ্রীর ২৫ হাজার টাকা মিলতে সাবিনা নিজেই উদ্যোগ নেয় বাড়িতে শৌচাগার তৈরির। শৌচালয় তৈরির জন্য কন্যাশ্রীর পুরো টাকাটাই তুলে দেয়  তার বাবার হাতে। সাবিনা জানায়, “ আমি তো বাড়ির প্রয়োজন মিটিয়েছি।  তার যে এত কদর আগে বুঝতে পারিনি।  এখন মনে হচ্ছে সত্যি ভাল কিছু করেছি।” আর সাবিনার এই  উদ্যোগে খুশি গ্রামবাসী থেকে প্রশাসনের কর্তারাও।

[৪৫ থেকে আচমকা অ্যাকাউন্টে ৮ লক্ষ টাকা, ব্যাঙ্কের ‘পরিষেবায়’ বিভ্রান্ত ব্যবসায়ী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রানিনগরের কাতলামার স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সাবিনা ছোট থেকেই এলাকায় মেধাবী ছাত্রী হিসাবে পরিচিত। বাবা আবু বক্কর শেখ পেশায় কৃষক। দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে চার সন্তানকে শিক্ষার আলো দিতে কখনও পিছপা হননি। এখন মেজ মেয়ে সাবিনার কীর্তিতে আজ গর্বিত তিনি। মেয়ের কন্যাশ্রীর পাওয়া টাকায় শৌচালয় তৈরির ইচ্ছাপূরণ করতে বাড়িতে শৌচাগারের নির্মাণকাজও শুরু করেছেন। কিন্তু তখন মেয়ের এই উদ্যোগের গুরুত্ব বুঝতে পারেননি । এখন যখন মেয়েকে অভিনন্দন জানাতে গ্রামে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের ভিড়, সকলে ধন্যধন্য করছে, তখন বুঝতে পেরেছেন সত্যি মেয়ে ভালা কিছু করেছে।

[হারায়নি সততা, টাকা ভরতি ব্যাগ ফেরালেন টোটো চালক]

আর হবে নাইবা কেন? স্বয়ং রানিনগর ২ ব্লকের বিডিও আশিস কুমার  রায় সাবিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিডিও জানান, “মিশন নির্মল বাংলার পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে আমরা ওই ছাত্রীর উদ্যোগের কথা জানতে পারি। বিষযটি আমাদের কাছে অভিনব মনে হয়েছে। মেয়েটি সকলকে চমকে দিয়েছে।”  এসডিও তাহেরুজ্জামান জানান, “আমরা মিশন নির্মল বাংলার প্রচারের মধ্যেই ছিলাম, তাই ভাবলাম, প্রচারে ওকেও শামিল করি। তাই ওকে ডেকে আজকেই সংবর্ধনা দেওয়া হল।”  সাবিনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অন্য গ্রামবাসীরাও এখন মিশন নির্মল বাংলা শামিল হতে তৈরি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.