Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Migrant worker

অন্ধ্রপ্রদেশে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু, পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের

ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১১:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১১:৫৭

options
link
অন্ধ্রপ্রদেশে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু, পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের zoom
শোকার্ত পরিবার
Advertisement

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: ভিন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তার অভিযোগের আবহে অন্ধ্রপ্রদেশে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু! একদিন নিখোঁজ থাকার পর রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার দেহ। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পিটিয়ে খুনের অভিযোগ পরিবারের। স্থানীয় এক ঠিকাদারের উপর সন্দেহ বলে জানিয়েছে পরিবার।

মৃত শ্রমিকের নাম কাদির শেখ। বয়স ৩২ বছর। তিনি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে ইমামনগর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ইমামনগর এলাকার বাসিন্দা। ২০-২২ দিন আগে রাজমিস্ত্রীর কাজে অন্ধ্রপ্রদেশে গিয়েছিলেন। তবে ৮ থেকে ৯ বছর ধরে তিনি ভিন রাজ্যে কাজ করছিলেন। বর্তমান ঠিকাদারের অধীনে বছর তিনেক ধরে কাজ করছিলেন। তার কাছ লক্ষাধিক টাকা পেতেন বলে দাবি পরিবারের। এমন অবস্থায় একদিন আগে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যান কাদির। শনিবার রাতে পরিবারের কাছে খবর আসে রেললাইনের ধার থেকে কাদিরের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

কাদিরের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছে পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, টাকা নিয়ে ঝামেলার জেরে তাঁকে পিটিয়ে খুন করে রেললাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়েছে ঠিকাদার ও তাঁর দলবল। একসময়ে কাদিরের সঙ্গে কাজে যাওয়া স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমিও ওখানে কাজ করেছি। ঠিকাদারের কাছে কাদির অনেক টাকা পেত। কাজ বন্ধ করেছিল। পরে দিনকয়েক আগে ফের কাজে যায়। ঠিকাদার লোক লাগিয়ে ওকে পিটিয়ে খুন করেছে। ঠিকাদারের শাস্তি চাই।” মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের ভাইপো বলেন “কাকাকে পিটিয়ে খুন করেছে। আমরা শাস্তি চাই।” কাদিরের দেহ ফিরিয়ে আনার জন্য তৎপরতা শুরু হয়েছে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.