সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ দেশে থাকতে হলে সকলকে জয় শ্রী রাম বলতে হবে। বলতে হবে ভারত মাতা কি জয়। যাঁরা তা বলতে অস্বীকার করবেন, তাঁরা খুব শিগগিরি ইতিহাস হয়ে যাবেন। এ কথাই শোনা গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মুখে। তার কড়া জবাব এবার দিলেন সপা নেতা আজম খান। জানালেন, নতুন দেশ গড়তে মুসলিমদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।
[ ‘জয় শ্রী রাম-ভারত মাতা কি জয় বলতে হবে, নাহলে ইতিহাসে চলে যেতে হবে’ ]
শনিবার মিনাখাঁয় এক সভায় দিলীপ ঘোষ জানান, কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী এবং গুজরাট থেকে গুয়াহাটি, জয় শ্রী রাম ও ভারত মাতা কি জয় বলতে হবে। নাহলে ইতিহাসে চলে যেতে হবে।একইসঙ্গে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে তাঁর হুঁশিয়ারি ছিল, ‘সারা দেশে বিজেপির ১১ কোটি সদস্য। বেশিরভাগ জায়গাতেই বিজেপি সদস্যরা নিরামিষ খান। কিন্তু বাংলার বিজেপি সদস্যরা নিরামিষ খান না, ঘাসও খান না। তৃণমূল সদস্যরা অভ্যাস বদলে ফেলুন, নাহলে আমরা বদলে দেব।’ বিজেপির রাজ্য সভাপতির এমন মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন সপা নেতা আজম খান। তাঁর দাবি, এ ধরনের মন্তব্য করার আগে ভেবে দেখা উচিত, মুসলিমরা তাহলে কোথায় থাকবেন। নতুন ভারত গড়তে মুসলিমদেরও যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, এমনটাই জানান তিনি।
[ দাঙ্গা কখনও ধর্ম হতে পারে না, বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার ]
পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অবস্থা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সপা নেতা। তাঁর দাবি, সারা দেশ একটা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে চলছে। চলছে অশান্তি। দেশে যে কেউই নিরাপদ নন, এমনটাই মনে করছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।
সর্বশেষ খবর
-
স্কুলছুট করিনা! ‘আমি বেশিদূর পড়াশোনা করতে পারিনি, জেহ-তৈমুর…’, আপসোস বেবোর
-
প্রাক শিক্ষক দিবসে ১০০ কেজি মাংসে মহাভোজ! জলপাইগুড়ির স্কুলে পড়ুয়াদের ‘মিড ডে মিল’ পরিবেশন শিক্ষকদের
-
পেটের ৭ স্তর কেটে সন্তান জন্ম, চর্চায় মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে মায়ের যন্ত্রণার কাহিনি
-
দোকানের মাল খাঁটি হলে খদ্দের জুটবেই, বলতেন সম্পাদক শরৎচন্দ্র
-
নেপালের বিধ্বংসী বন্যার নেপথ্যে চিন! কোভিডের মতো এবারও দায় এড়াচ্ছে বেজিং