BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গ্যারেজ থেকে উদ্ধার যুগলের অর্ধনগ্ন দেহ, বাড়ছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের তত্ত্ব

Published by: Sayani Sen |    Posted: May 30, 2019 11:49 am|    Updated: May 30, 2019 12:05 pm

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: খুন নাকি আত্মহত্যা? বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের নাকি অন্য কিছু? দুর্গাপুরে গ্যারেজে একটি গাড়ির ভিতর থেকে তরুণ-তরুণীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের ভিড়৷ বুধবার রাতে গ্যারেজ থেকেই উদ্ধার হয় নিখোঁজ গৃহবধূ এবং তাঁর প্রেমিকের দেহ৷ উদ্ধারের সময় তরুণীর প্রেমিকের শরীরে রক্তের দাগ এবং ক্ষতচিহ্ন রয়েছে৷ মৃত্যুর কারণ ধোঁয়াশায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ৷

[ আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘বেনোজল’ বিজেপিতে, অসন্তোষ বাড়ছে বঙ্গের গেরুয়া শিবিরেই]

কৌশিক গোস্বামী এবং কাবেরী ভট্টাচার্য দুজনেই দুর্গাপুরের ডেভিড হেয়ার রোডের বাসিন্দা৷ দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টে চাকরি করতেন কৌশিক৷ একই এলাকায় বসবাসের সুবাদেই আলাপ উভয়ের৷ তবে কয়েকমাস আগে থেকে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে দু’জনের৷ কাবেরীর স্বামীর সঙ্গে তা নিয়ে অশান্তিও চলছিল৷ বুধবার সন্ধে থেকেই মহিলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ রাত বাড়তে থাকলেও, স্ত্রী বাড়ি না ফেরায় শুরু হয় খোঁজখবর৷ ইতিমধ্যেই কৌশিকেরও খোঁজ শুরু হয়৷ তাকেও পাননি পাড়া প্রতিবেশীরা৷ আচমকাই তাঁদের নজর যায় গ্যারেজের দিকে৷ দেখেন গ্যারেজের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ রয়েছে৷ সাড়াশব্দ না পেয়ে বাধ্য হয়ে দরজা ভাঙচুর শুরু করে৷ ভিতরে ঢুকে তাঁরা দেখেন একটি গাড়ির মধ্যে প্রায় অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন কৌশিক এহং কাবেরী৷

[ আরও পড়ুন: শৃঙ্গে ফেলে আসা গণেশ মূর্তি আনতে গিয়েই কি মৃত্যুর মুখে দীপঙ্কর? বাড়ছে জল্পনা]

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী৷ বছর পঁয়তাল্লিশের কাবেরী এবং পয়ত্রিশ বছর বয়সী কৌশিকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে৷ উদ্ধারের সময় কৌশিকের দেহে মিলেছে রক্তের দাগ৷ তাতেই আরও জোরাল হয়েছে রহস্য৷ এদিকে আবার কৌশিক এবং কাবেরীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কও ভাবাচ্ছে তদন্ততকারীদের৷ সম্পর্কের টানাপোড়েনে খুন নাকি আত্মঘাতী হয়েছেন দু’জনে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে সবটা স্পষ্ট করে বোঝার চেষ্টায় পুলিশ আধিকারিকরা৷ মৃত্যুর কারণ জানতে কাবেরী এবং কৌশিকের পরিজনদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা৷ 

ছবি: উদয়ন গুহ রায়

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement