Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

জঙ্গলমহলে কিসের পায়ের ছাপ? এখনও মিলল না উত্তর

রহস্য আরও জটিল হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ২০:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ২০:৩৪

options
link
জঙ্গলমহলে কিসের পায়ের ছাপ? এখনও মিলল না উত্তর zoom

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: কেবল পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের নয় কোনও জন্তুর। কিন্তু কেমন জন্তু ঠিক ঠাহর করা যাচ্ছে না। তিন-চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও বনকর্মীরা বুঝতে পারছেন না রহস্যময় জন্তুটি কেমন। এদিকে দলমার হাতির তাণ্ডব তো রয়েইছে। সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মেদিনীপুর ডিভিশনের অন্তর্গত লালগড়, রামগড়, ঝিটকা, চাঁদড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায়।

শনিবারও বনদপ্তরের কাছে খবর আসে মেদিনীপুরের জামশোল, পাঁচশোলের কাছে বড় আকারের পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। সেই পায়ের ছাপের ছবিও এসেছে বনদপ্তরের কাছে। তবে বনদপ্তর চাইছে কোনও এমন প্রত্যক্ষদর্শী যিনি বা যাঁরা কিনা নিজের চোখে দেখেছে সেই জন্তুকে। বিভিন্ন জায়গা থেকে রটনা আসছে। সত্যিই জন্তুটি দেখেছেন এমন কেউ দাবি করতে পারেননি। প্রাথমিক অনুমান পায়ের ছাপটি কোনও বড় হায়না কিংবা হুরালের হতে পারে। কিন্তু স্পষ্ট করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[যাত্রী বোঝাই ভ্যানের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলেই মৃত ২]

কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে পায়ের ছাপের উৎস সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে বনদপ্তর। অন্যদিকে লালগড় থানা এলাকায় ৩০ থেকে ৩৫টি হাতির এক দল লাগাতার ফসলের ক্ষতি চালিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার রাতেও বনদপ্তর দলমার এই দলটিকে কাটাপাহাড়ি হয়ে ড্রাইভ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্থানীয় মানুষের বাঁধায় হাতিগুলি আবারও ফিরে এসেছে ঘাঘরাশোল এলাকায়। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ-ছয় দিনে দলমার এই দলটি লালগড়ের বিভিন্ন গ্রামে বিশেষ করে কংসাবতী নদী চর এলাকায় আলু চাষের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। শুক্রবার সকালে লালগড়ের সিজুয়াতে নদী পার্শ্ববর্তী এলাকায় দলমা হাতির হানায় এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এনিয়ে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে ক্ষোভেরও সৃষ্টি হচ্ছে।

তবে বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে গত কয়েক বছর ধরে খুব দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লালগড় থানা এলাকাকে প্রাধান্য নিয়ে মেদিনীপুর ডিভিশন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। গত বছর লালগড় ক্ষতিপূরণ পেয়েছে ২১ লক্ষ টাকা। মেদিনীপুর ডিভিশনের বিভিন্ন রেঞ্জ এলাকা মোট ক্ষতিপূরণ পেয়েছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা। সবমিলিয়ে বনদপ্তর চাইছে হাতিগুলিকে সহজ ভাবে ড্রাইভ করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া। এই বিষয়ে মেদিনীপুর ডিভিশনের ডিএফও রবীন্দ্রনাথ সাহা বলেন, ‘মেদিনীপুর ডিভিশনের দু’টি জঙ্গলে একই রকম পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছে। আমরা এখনো কোন কোন প্রত্যক্ষদর্শী পাইনি। তবে আমরা কোন ঝুঁকি নিচ্ছি না। নজরদারি চলছে। এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আর দলমার দলটিকে শুক্রবার রাতে কাটাপাহাড়ির দিকে ড্রাইভ করার চেষ্টা করা হলেও ফিরে এসেছে। আমরা মলাবতীর জঙ্গল ধরে ড্রাইভ করার চেষ্টা করব।’

[আহত চালকের ক্ষতিপূরণ না পেয়ে মালিকের ৩টি ট্রাক আটক, চাঞ্চল্য ওদলাবাড়িতে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.