নিজস্ব সংবাদদাতা: তাঁর স্মৃতিতে গড়ে ওঠেনি প্রায় কিছুই৷ তাঁর সঠিক মূল্যায়ন কি হয়েছে? তিনি শুধু রয়ে গিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়৷ তিনি বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ সম্রাট সিরাজদৌল্লা৷ নবাব সিরাজদৌল্লা৷ ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধের কথা অনেকেই জানে৷ কিন্তু ক’জন জানে ওই বছরের ২ জুলাই চিরনিদ্রায় চলে গিয়েছিলেন নবাব সিরাজদৌল্লা৷
এবার অন্তত নবাবের ২৬০তম মৃত্যুদিন বেশ গোছানোভাবেই পালিত হল৷ খোশবাগে তাঁর সমাধিতে মাল্যদান করা হল৷ এই অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছিলেন ওপার বাংলার মানুষও৷ প্রতি বছরই সিরাজের মৃত্যুদিন পালন করা হয়ে অগোছালোভাবে৷ এবার প্রথম সংগঠিতভাবে মৃত্যুদিন পালন করা হল৷ এর জন্য এবার একটি স্মরণ সমিতি গঠন করা হয়৷ এই সমিতির চেয়ারম্যান হন মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব চক্রবর্তী৷ বাংলার শেষ নবাবকে নিয়ে একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেন বাংলাদেশের চিত্র পরিচালক সৈয়দ হাসান ইমাম৷ সিরাজের দেশপ্রেম, নির্ভিকতা নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মহম্মদ আলি৷ স্মরণসভায় সিরাজের নামে রাস্তা ও স্মারক তৈরির দাবি করা হয়৷ এছাড়া জেলায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গড়া হলে তা সিরাজদৌল্লার নামে রাখারও দাবি করা হয়৷
সর্বশেষ খবর
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, স্টুডিও পাড়ায় তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত অরূপের ভাই
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়