Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
21 July Shahid Diwas

‘ওরা অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত, আমাদের ভুলে গিয়েছে’, একুশের ডাকে আসতে নারাজ নন্দীগ্রামের শহিদ পরিবাররা

১৪ মার্চের সেই ঘটনায় মৃত প্রলয় গিরির দাদা পলাশ বলেন, ''আমরা বরাবর শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ছিলাম, এখনও আছি। তৃণমূল নেত্রী আমাদের জন্য তেমন কিছু করেননি।''

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ২১:১৭

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
‘ওরা অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত, আমাদের ভুলে গিয়েছে’, একুশের ডাকে আসতে নারাজ নন্দীগ্রামের শহিদ পরিবাররা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

পরিবর্তনের বাংলায় প্রথম শহিদ দিবস। আর এই ২১ জুলাইকে ঘিরেই বাংলার রাজনীতি বহুমুখী লড়াইয়ের সাক্ষী হতে চলেছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে পৃথকভাবে শহিদ দিবস পালন করবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘আসল তৃণমূল’। আর এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বিপাকে শহিদ পরিবাররা। এই পরিস্থিতিতে আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নন্দীগ্রামের একাধিক শহিদ পরিবারের সদস্য। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত অনেক পরিবারের কাছে আমন্ত্রণ পর্যন্ত আসেনি।

১৪ মার্চের সেই ঘটনায় মৃত প্রলয় গিরির দাদা পলাশ বলেন, ”আমরা বরাবর শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ছিলাম, এখনও আছি। তৃণমূল নেত্রী আমাদের জন্য তেমন কিছু করেননি।”

বাম আমলে নন্দীগ্রামকে ঘিরে উত্তাল হয় বাংলার রাজনীতি। জমি রক্ষা আন্দোলনে নেমে শহিদ হতে হয় ৪২ জনকে। বিশেষ করে ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ১৪ জনের। মৃত্যু হয় সোনাচূড়ার বাসিন্দা সুপ্রিয়া জানার। তাঁর স্বামী সুকুমার জানা তৃণমূল সমর্থিত শহিদ পরিবারগুলির ইউনিটের সভাপতি। প্রত্যেক বছর নিয়ম করে ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে উপস্থিত থেকেছেন। অনেক আগেই চলে আসত সেই আমন্ত্রণও। কিন্তু ২১ জুলাইয়ের দু’দিন আগেও কোনও আমন্ত্রণপত্র পৌঁছায়নি সুকুমার জানাদের কাছে। তাঁর কথায়, ”আমরা এখনও পর্যন্ত কোনও ডাক পাইনি। ডাক পেলেও যাব না। আমরা বিভ্রান্ত।” সুকুমারবাবু বলেন, ”ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরে এভাবে তৃণমূল দলটা যে ভাগ হয়ে যাবে তা ভাবতে পারিনি। এখন ওঁরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত। নন্দীগ্রামের শহিদ পরিবারগুলির কথা ভুলে গিয়েছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখনও পর্যন্ত ডাক পাননি ১৪ মার্চের ঘটনায় মৃত ইমাদুল খানের বাবা আব্দুল দাইয়ান খানও। তিনিও প্রত্যেকবছর নিয়ম করে ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহিদ সমাবেশে উপস্থিত থেকেছেন। কিন্তু পরিস্থিতি যা তিনিও এবার কলকাতায় যাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। দাইয়ান খান বলেন, ”আমি বরাবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুণমুগ্ধ। ঋতব্রত সিপিএম থেকে আসা নেতা। এখনও আমি মমতাপন্থী। তবে আমাদের শহিদ পরিবারগুলির যে কমিটি রয়েছে, সেই কমিটি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সে দিকে তাকিয়ে রয়েছি।” অন্যদিকে তৃণমূলের এই অবস্থার জন্য মমতাকেই দায়ী করেছেন বিজেপিপন্থী শহিদ পরিবারগুলি। ১৪ মার্চের সেই ঘটনায় মৃত প্রলয় গিরির দাদা পলাশ বলেন, ”আমরা বরাবর শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ছিলাম, এখনও আছি। তৃণমূল নেত্রী আমাদের জন্য তেমন কিছু করেননি।” এই অবস্থায় ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে যোগদান নিয়ে কার্যত সংশয় শহিদ পরিবারগুলির অনেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.