Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিজেপি হিন্দুত্বকে কলঙ্কিত করছে, তোপ মমতার

নারদ কাণ্ড বিজেপির রাজনৈতিক চক্রান্ত, আঞ্চলিক দলগুলিকে এক হওয়ার ডাক মমতার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১৬:০১

options
link
বিজেপি হিন্দুত্বকে কলঙ্কিত করছে, তোপ মমতার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বিজেপি হিন্দুত্বের কলঙ্ক। প্রকৃত হিন্দু ধর্ম পরধর্ম সহিষ্ণুতার কথা বলে। আমি হিন্দু। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করি, ভালবাসি। হিন্দুত্বকে কখনওই কলঙ্কিত করি না।’- এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরীর মন্দিরে তাঁর পুজো দেওয়ায় সেবাইতের বাধার প্রসঙ্গেই আজ মমতার নিশানায় বিজেপি।

নারদ নিয়েও এদিন সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই এই কাণ্ডে ১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। সে তালিকায় আছেন দলের প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রী-সাংসদরা। স্ক্যানারে আছে আরও ১৭ জন। এই প্রেক্ষিতেই এবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, নারদ কাণ্ড আসলে বিজেপির রাজনৈতিক চক্রান্ত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোনুর মাথা কামিয়ে জুতোর মালা পরালে ইনাম ১০ লক্ষ টাকা, ফতোয়া মৌলবীর ]

নারদ কাণ্ডে রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা বশতই পরিকল্পনামাফিক এ কাজ করা হয়েছে। কেন এই অপারেশন করা হল, কে টাকা জোগাল, সে প্রশ্নও আগে উঠেছিল। এদিন এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “বিজেপির আদর্শ মানি না বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আসলে এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত।”

বাবরি কাণ্ডে আদবানীদের বিরুদ্ধে চলবে ষড়যন্ত্রের মামলা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ]

শাসকদলের একাধিক প্রভাবশালীর নামে জারি হয়েছে এফআইআর। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এফআইআর জারি হওয়া মানেই কেউ দোষী প্রমাণিত হয় না। তাঁর দাবি ছিল, এটা রাজনৈতিক বিষয়। রাজনৈতিকভাবেই এর মোকাবিলা করা হবে। যদিও তার পদ্ধতি ঠিক কী, এখনও তা খোলসা করেননি নেত্রী। তবে এদিন তাঁর ইঙ্গিত দিলেন। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বার্থে আঞ্চলিক দলগুলিকে এক হওয়ার ডাক দিলেন। অর্থাৎ সমস্ত বিরোধীদের এক করেই রাজনৈতিকভাবে বিজেপির বিরোধিতার দিকে এগোতে চান নেত্রী, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। যদিও আপাতত বিজেপির নিশানায় পশ্চিমবঙ্গ। খোদ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে তবেই বিজেপির স্বর্ণযুগ আসবে। সেই প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক লড়াই যে কঠিন হবে তা বলাই বাহুল্য। এখন এই পরিস্থিতি কীভাবে নেত্রী মোকাবিলা করেন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

পারলে সতীদাহও ফিরিয়ে আনুক হিন্দুরা, ব্যঙ্গ আজম খানের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.