Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
PM Modi In Singur

সন্দেশখালি থেকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, তৃণমূলকে বিঁধে ‘উন্নয়নের ফর্মুলা’ বাতলালেন মোদি

বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগে সেই সিঙ্গুরের মাটিতে মোদির কর্মসূচি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:২৪

options
link
সন্দেশখালি থেকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, তৃণমূলকে বিঁধে ‘উন্নয়নের ফর্মুলা’ বাতলালেন মোদি zoom
সিঙ্গুরে রণসংকল্প সভায় মোদি। নিজস্ব চিত্র

সিঙ্গুরের জমি বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগে সেই সিঙ্গুরের মাটিতেই মোদির কর্মসূচি। রাজনৈতিক দিক থেকে এই ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সভা থেকে কী বার্তা দেন মোদি, সেদিকে নজর সকলের। সভা সংক্রান্ত যেকোনও তথ্যের জন্য নজর রাখুন LIVE UPDATE-এ।

বিকেল ৪.১৯: “পালটানো দরকার”, স্লোগান মোদির।
বিকেল ৪.১৬:
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদির তোপ, “অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলার সীমান্তে জমি চেয়ে বারবার চিঠি লিখেছি। তাতে তৃণমূলের কিছু যায় আসে না। কারণ, ওরা অনুপ্রবেশকারীদের সুযোগ সুবিধা দেয়। নকল নথিপত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে তাতে লাভ হবে না। ওদের নিজের দেশে ফিরতেই হবে। এই কাজ আপনাদের একটি ভোটে সম্ভব। বিজেপিকে দেওয়া আপনাদের একটি ভোট অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে পারে।”
বিকেল ৪.১৪:
মোদি বলেন, “তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে আপনাদের ছেলেমেয়েরা কখনও সুশিক্ষা, চাকরি পাবে না। নারী নির্যাতন লেগেই থাকবে। এখানে সব কিছুতে সিন্ডিকেট ট্যাক্স থাকে। বিজেপিকে ভোট দিলে শিক্ষিতরা চাকরি হারাবেন না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে লুটেরারা শাস্তি পাবেই।”
বিকেল ৪.১০:
“ক্ষমতায় আসলেই মিটবে মা-বোনেদের জলযন্ত্রণা”, সিঙ্গুরের সভায় মোদি গ্যারান্টি। 

Advertisement
Narendra Modi in Singur Live Update: Modi slams TMC
সিঙ্গুরে রণসংকল্প সভায় মোদি। নিজস্ব চিত্র

বিকেল ৪.০৯: মোদির অভিযোগ, “আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও এখানে আটকে রয়েছে। বাংলায় এবার বিজেপি সরকার গড়বে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সকলে।”
বিকেল ৪.০৬: তৃণমূলকে ‘নির্মম সরকার’ তোপ মোদির।
বিকেল ৪.০২:
শাসক শিবিরকে মোদির খোঁচা, “তৃণমূল বাংলার লোকেদের সঙ্গে শত্রুতা করছে। এখানকার মা, বোন, চাষি, তরুণদের সঙ্গে শত্রুতা করছে। বাংলায় লাখ পরিবার মৎস্যশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এখান থেকে সবচেয়ে বেশি মাছ রপ্তানি হয়। তাই প্রয়োজন মৎস্যজীবীদের জন্য উন্নতি করা। মৎস্যজীবীদের সুবিধার জন্য কেন্দ্র সরকার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। ওই প্ল্য়াটফর্মে নাম নথিভুক্ত করা যায়। বাংলার তৃণমূল সরকারকে বারবার চিঠি পাঠিয়েছি। মমতা চিঠি পড়েন না। মৎস্যজীবীদের রেজিস্ট্রেশনে সহযোগিতা করছেন না। তাই কেন্দ্রের প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না মৎস্যজীবীরা। তাই তাঁরা কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না। পিএমশ্রী স্কুল খুলতে বাধা দিচ্ছে। বঞ্চিত করছে বাংলাকে। রাজ্য়ের শিশুদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে।”
দুপুর ৩.৫৮:
মোদি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের সব অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। বিজেপি এক জেলা, এক পণ্য প্রকল্প গ্রহণ করবে। এটা মোদি গ্যারান্টি। বিজেপি বাংলায় এলে পাটশিল্প চাঙ্গা হবে।”
দুপুর ৩.৫৬:
স্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্য়ায়ের নাম নিলেন মোদি।
দুপুর ৩.৫৫:
“বাংলা ভাষাকে আমরাই ধ্রুপদী ভাষার সম্মান দিয়েছি। কেন্দ্রের তৎপরতায় বাংলার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে। বিজেপির চেয়ে বাংলাকে কেউ বেশি সম্মান করতে পারে না। বিজেপি সব জেলার উন্নয়নে কাজ করবে।”, বাংলা বিদ্বেষের জবাব দিলেন মোদি।
দুপুর ৩.৫০:
মোদি বলেন, “সিঙ্গুরের এই উৎসাহ জানান দিচ্ছে, পালটানো দরকার। বিহার জঙ্গলরাজ উপড়ে ফেলেছে। বাংলায় তৃণমূলের জঙ্গলরাজ উপড়ে ফেলতে হবে।”
দুপুর ৩.৪৮:
সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে ‘আসল পরিবর্তনে’র ডাক দিলেন মোদি।
দুপুর ৩.৪৭:
এবার মোদির মুখে ‘জয় শ্রীরামকৃষ্ণ’।
দুপুর ৩.৪৪:
মোদি বলেন, “সবার প্রথমে কচিকাঁচারা যে আঁকা এনেছে, সেগুলি সংগ্রহ করতে বলব।” পালটা ভালোবাসার জবাব দেবেন তিনি।
দুপুর ৩.৪২:
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “সিঙ্গুরের মানুষ শিল্প চান। বিকাশ চান।”
দুপুর ৩.৪০:
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “দেশবাসীর আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী। সিঙ্গুরে আজ গুড এম।”
দুপুর ৩.৩৬:
মঞ্চে মোদিকে অভ্যর্থনা জানালেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছবি। শুভেন্দু উত্তরীয় পরিয়ে দিলেন দুর্গা ও ভারতমাতার ছবি।

Modi-Vidyasagarদুপুর ৩.৩২: পরিবর্তন সংকল্প সভামঞ্চে পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদি।
দুপুর ৩.৩০:
সরকারি সভা শেষ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
দুপুর ৩.২৬:
সরকারি অনুষ্ঠানে মোদি বললেন, “মোট ৯টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল বাংলা। দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত পেয়েছে। রেল পরিষেবায় বড় প্রাপ্তি। বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট নয়া দিশা দেখাবে। লজিস্টিক হাব হবে। তাতে বাড়বে কর্মসংস্থান। ইলেকট্রিক কেটামেরনের ফলে জলপথে যাতায়াতে সুবিধা হবে। লগ্নি বাড়বে। বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত পূর্ব ভারত। কেন্দ্রের ভিশন বাংলায় লগ্নি আসবে বাংলায়।”
দুপুর ৩.২৩:
“আমার কেন্দ্র বারাণসীর সঙ্গে বাংলাকে জুড়ে দেব রেলপথে”, বললেন মোদি।
দুপুর ৩.১৪:
৩টি অমৃত ভারত (কলকাতা-বারাণসী, সাঁতরাগাছি-তাম্বরম, হাওড়া-আনন্দবিহার) ও জয়রামবাটি-ময়নাপুর রেললাইনের উদ্বোধন। কলকাতায় ইলেকট্রিক কেটামেরন, বলাগড়ের বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন-সহ ৮৩০ কোটি টাকা প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী। 

Modi
দুপুর ৩.১২:
“সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে ৮৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী”, বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল।
দুপুর ৩.০২:
“আজ ঐতিহাসিক দিন। জয়রামবাটিতে নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে ট্রেন আসছে। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাব। আপনাকে শতকোটি ভারত। বিকশিত ভারতের অংশ হিসাবে বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ গড়তে চলেছি”, বললেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। 
দুপুর ৩.০১:
সিঙ্গুরের সরকারি সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 
দুপুর ২.৫০:
সিঙ্গুরে নামল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার। টাটা বিদায়ের প্রায় ১৮ বছর পর সিঙ্গুরে সভা বিজেপির। জিতলে টাটাদের ফেরানো হবে। বলছে বিজেপি। 
দুপুর ২.৪৬: মঞ্চে ভাষণ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। বললেন, “রোহিঙ্গাদের তাড়াবে বিজেপি। ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেছে, আরও যাবে। তাই দাঙ্গা ছড়িয়ে দিচ্ছে তৃণমূল।” 
দুপুর ২.৩৫:
সিঙ্গুরে হেলিপ্যাডের পাশে আগুন। কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চক্রান্তের অভিযোগ বিজেপির
দুপুর ২.২০:
কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.