Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

BJP-NCW ‘আঁতাঁত’, শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের স্বাস্থ্যশিবিরে সদস্যের উপস্থিতিতে সরব তৃণমূল

জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য ডাঃ অর্চনা মজুমদারকেই দেখা গিয়েছে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্যশিবিরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ১৭:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ১৭:৫০

options
link
BJP-NCW ‘আঁতাঁত’, শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের স্বাস্থ্যশিবিরে সদস্যের উপস্থিতিতে সরব তৃণমূল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠলেই রাজ্যকে না জানিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে বারবার। আর সেই জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য ডাঃ অর্চনা মজুমদারকেই দেখা গিয়েছে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্যশিবিরে। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠেছে বিতর্কের ঝড়। এই ছবি বিজেপি এবং জাতীয় মহিলা কমিশনের আঁতাঁতের প্রমাণ বলেই দাবি তৃণমূলের। পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া শুভেন্দু কিংবা বঙ্গ বিজেপি শিবিরের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের সোনাচূড়ায় শহিদ মিনারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা রবিবার শুভেন্দু অধিকারী স্বাস্থ্যশিবির খোলেন। ওই স্বাস্থ্যশিবিরে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা অর্চনা মজুমদার। এদিন বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আসেন তিনি। প্রায় ঘণ্টাদেড়েক ছিলেন একসঙ্গে। স্থানীয় বেশ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বলে রাখা ভালো, ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সেবাশ্রয়’ প্রকল্পের সূচনা করেন। যেখান থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা পান কয়েকলক্ষ মানুষ। সেই প্রকল্পের অনুকরণে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী স্বাস্থ্যশিবিরের আয়োজন করেন বলেই দাবি শাসক শিবিরের। কেন শুভেন্দুর স্বাস্থ্যশিবিরে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement

তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্যশিবিরে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য ডাঃ অর্চনা মজুমদার। জাতীয় মহিলা কমিশনকে কেন বিজেপির গণসংগঠন বলা হয় বোঝা গেল? জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য হিসেবে ওঁর যে কোনো কথা বা ভূমিকাই বিজেপির দলবাজি। জাতীয় মহিলা কমিশনের মুখোশ এভাবে খুলে দেওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ।”

স্থানীয় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গও একই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “জাতীয় মহিলা কমিশন নিরপেক্ষ সংস্থা। সেই সংস্থার সদস্যা কী করে বিজেপি বিধায়কের কর্মসূচিতে থাকতে পারেন? তার থেকেও বড় কথা শুভেন্দু অধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পেয়েছেন। নন্দীগ্রামে মানুষ যখন এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল চেয়েছেন। তখন বিরোধী দলনেতার ঘুম উড়ে গিয়েছে। পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই তিনি সেবা প্রকল্প চালু করতে তৎপর হয়েছেন। মানুষ ওঁর ধাপ্পাবাজি বুঝে গিয়েছেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.