Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Saokat Molla

বাংলাদেশ পালানোর ছক! শওকতকে ‘পলাতক’ ঘোষণা এনআইএর, বিএসএফের সঙ্গে তথ্য শেয়ার

শোনা যাচ্ছে, কোনও এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে রয়েছেন শওকত।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ০৯:৫৯

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ০৯:৫৯

options
link
বাংলাদেশ পালানোর ছক! শওকতকে ‘পলাতক’ ঘোষণা এনআইএর, বিএসএফের সঙ্গে তথ্য শেয়ার zoom

কোথায় শওকত? ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে খুঁজছে এনআইএ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ‘নদীচোর’ ছেলেকে আটক করা হলেও বেপাত্তা ‘মাছচোর’ বাবা। সূত্রের খবর, নদী পেরিয়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক কষেছিলেন শওকত। যদিও তা সফল হয়নি। শোনা যাচ্ছে, কোনও এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে রয়েছেন তিনি। বন্ধ তিনটি মোবাইলই। এসবের মাঝেই শওকতকে পলাতক ঘোষণা করল এনআইএ। যাতে কোনওভাবেই দেশ ছাড়তে না পারে, সেই কারণে ইতিমধ্যেই বিএসএফের সঙ্গে অভিযুক্তের যাবতীয় তথ্য শেয়ার করেছে এনআইএ। 

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের বামুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন। সেই ঘটনার তদন্তে সম্প্রতি গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তদন্তের সূত্রে বেশ কিছুদিন আগে আহিদুল ইসলাম নামে এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার এনআইএর একাধিক দল ভাঙড়ে হানা দেয়। একটি দল ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয়-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায়। তবে তল্লাশির আগেই নাকি এলাকা ছাড়েন শওকত (Saokat Molla)। ফলে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তদন্তকারীদের। এরপর তৃণমূল নেতার ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।  পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, শেষ বার লাল পোশাকে বাসন্তীর দিকে চুনাখালিতে একজনের বাইকে দেখা গিয়েছে শওকতকে। পরিকল্পনা করেছিলেন নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে পালানোর।  কারণ, বাসন্তীর খেয়াঘাট পেরলেই উত্তর ২৪ পরগনার দাদবেড়িয়া খেয়া ঘাট। সেখান থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত একদম কাছে। তবে স্থানীয়রা শওকতকে শনাক্ত করেই তাঁর পথ আটকায় বলে খবর। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে মাদ্রাসার দিকে চলে যায় সে। মনে করা হচ্ছিল মাদ্রাসাতেই লুকিয়ে ছিল সে। এই খবর পৌঁছেছে এনআইএর কাছে। এরপরই রাতভর মাদ্রাসা, এলাকার সব, এমনকী জঙ্গলেও তল্লাশি চালায় এনআইএ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু হদিশ মেলেনি ‘মাছচোরে’র।  শওকত যাতে কোনওভাবে বাংলাদেশে পালাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.