মুর্শিদাবাদের লালগোলার পর মালদহের ইংরেজবাজার। অনুপ্রবেশকারী তাড়াতে রাজ্য সরকারের হোল্ডিং সেন্টার নির্দেশের পর একাধিক জেলায় তা চালু হয়ে গেল। ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে এটাই মালদহ জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হল। আগে এটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অফিস ছিল। রয়েছে সিসিটিভি, পাহারা। সোমবার জানা গেল, ইংরেজবাজারের হোল্ডিং সেন্টারে আপাতত রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশিকে। তাদের গাজোল এলাকা থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ৯ বাংলাদেশির মধ্যে ৩ মহিলা ও ৬ জন নাবালক-নাবালিকা আছে।
এ প্রসঙ্গে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ‘‘আমাদের ভারতীয় নাগরিক নন, এরকম যে সমস্ত ব্যক্তি আছেন, তাঁদের আমাদের দেশ থেকে তাঁদের নিজের দেশে ফিরতে হবে। এটা তো খুবই জরুরি। আমাদের রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করব। এতদিন ধরে তৃণমূল রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসবাদীদের, জেহাদিদের একটা করিডর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছিল।”
আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠনের ২ সপ্তাহের মাথায়, অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রদপ্তর। ফরেনার্স ব্রাঞ্চের তরফে শনিবার একটি নির্দেশিকায় সমস্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে পাঠানো হয়েছে। ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করার কারণে ধৃত বাংলাদেশি অথবা রোহিঙ্গাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অন্যান্য জেলার পাশাপাশি মালদহেও হোল্ডিং সেন্টার তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে দেয় জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলাশাসকের দপ্তর সংলগ্ন এলাকায় হোল্ডিং সেন্টার করা হবে। যাঁরা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত হয়েছেন, তাঁদের এখানে এনে রাখা হবে। ধীরে ধীরে তাঁদের ডিপোর্টে করার ব্যবস্থা করা হবে। সেইমতো ইংরেজবাজারের চন্দনপার্কে আপাতত একটি সেন্টার চালু হল। যেখানে রয়েছেন ৯ বাংলাদেশি। এ প্রসঙ্গে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ‘‘আমাদের ভারতীয় নাগরিক নন, এরকম যে সমস্ত ব্যক্তি আছেন, তাঁদের আমাদের দেশ থেকে তাঁদের নিজের দেশে ফিরতে হবে। এটা তো খুবই জরুরি। আমাদের রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করব। এতদিন ধরে তৃণমূল রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসবাদীদের, জেহাদিদের একটা করিডর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছিল।”
সোমবার সকালেই মুর্শিদাবাদে তিন বাংলাদেশিকে বন্দি রাখার খবর পাওয়া গিয়েছিল। লালগোলার পদ্মাভবনের তিনতলায় যে হোল্ডিং সেন্টারটি গড়ে উঠেছে, সেখানে রয়েছেন ৩ জন বাংলাদেশি পুরুষ। তাঁদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে বিস্তারিত পরিচয় বা অন্য কোনও তথ্য এখনও জানা যায়নি। মালদহের হোল্ডিং সেন্টারে ৯ জনের থাকার খবরে এখনও পর্যন্ত মোট ১২ জন বাংলাদেশিকে বন্দি করা হল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মহারাষ্ট্রে ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙন! পওয়ারের ‘অস্থিরচিত্ত’ বিধায়কদের ‘সন্দেহ’ কংগ্রেসের
-
১৬ বছর পর কলকাতা পেল মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
-
খেয়াল রাখতে হবে অভিযোগকারিণীর মানসিক দিকটিও, লালবাজারে বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৮৩ মহিলা পুলিশকে
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের
-
সেবাশ্রয়ের ‘ভুলে’ বাদ পা! অভিষেক-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মহিলার