Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rabindanath Tagore

‘নোবেল দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে অপমান’, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের

বিতর্কের মুখে পড়ে সাফাইও দিলেন ভাতারের বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২২, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২২, ১৬:০৪

options
link
‘নোবেল দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে অপমান’, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: রবীন্দ্রজয়ন্তীর সকালে বর্ষণমুখর আবহাওয়া খানিকটা তাল কেটে দিয়েছে। তবে কবিগুরুর জন্মদিন উদযাপনে উৎসাহের অন্ত নেই। কলকাতায় তো বটেই, জেলায় জেলায়ও চলছে কবিপ্রণাম। কিন্তু এমন দিনেই বিশ্বকবিকে নিয়ে আলটপকা মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়ালেন ভাতারের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলে ওঠেন, ”রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছিল, তাই বাংলার ছেলেরা নোবেল চুরি করেছে। আর সিবিআইও তার কিনারা করতে পারছে না।” এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থনে সাফাইও দেন তিনি। তাঁর দাবি, ওই মন্তব্য নিছক মজা করেই নাকি বলেছিলেন।

এদিন সকালে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে (Bhatar) তৃণমূলের ব্লক কার্যালয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তীর আয়োজন করা হয়। কবির ছবিতে মাল্যদান, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি চিল বক্তৃতা পর্ব। অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ”রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছিল, তাই বাংলার ছেলেরা নোবেল চুরি করেছে। আর সিবিআইও তার কিনারা করতে পারছে না। রাজ্যের পুলিশই চুরি হওয়া নোবেল উদ্ধার করতে পারবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৮ বছরেও কাজ এগোয়নি, সিবিআই দায়িত্ব ছাড়লে হারানো নোবেল খোঁজার তদন্তে তৈরি রাজ্য]

২০০৪ সালের ২৫ মার্চ সকালে জানা যায়, বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবনের সংগ্রহশালা থেকে নোবেল পদক চুরি হয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে আরও ৫০টি মূল্যবান জিনিসও চুরি হয়। ছ’দিন পরেই তদন্তভার নেয় সিবিআই। প্রথম পর্যায়ের তদন্ত চলে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত। তিন বছর ধরে তদন্তের পর আর কোনও সূত্র না মেলায় প্রায় এক বছর তদন্তের কোনও কাজই হয়নি। ফের নতুন সূত্র পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আদালতে ফের তদন্ত শুরু করার আবেদন করে সিবিআই। কিন্তু একইরকমভাবে ২০০৯ সালে আগস্টে আবার সিবিআই আদালতকে জানায়, তদন্ত এগোচ্ছে না। ফলে তা বন্ধ করার অনুমতি দেওয়া হোক। ২০১০-এর ৫ আগস্ট আদালত অনুমতি দেয়। কিন্তু তদন্ত আর তেমন এগোয়নি। উদ্ধারও হয়নি নোবেলের রেপ্লিকাটি।

[আরও পড়ুন: বক্তৃতার মাঝে NSDL ডিরেক্টরকে জলের বোতল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, ভাইরাল সীতারমণের সৌজন্য]

ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের (CBI) ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এও জানানো হয়েছে, সিবিআই তদন্তভার ছেড়ে দিলে রাজ্য তদন্তে নামতে প্রস্তুত। এই পরিস্থিতি রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) নোবেলপ্রাপ্তিকে ‘অপমান’ বলে উল্লেখ করে বিতর্ক বাড়ালেন মানগোবিন্দ অধিকারী। তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হতে অবশ্য সাফাই দিলেন। বললেন, ”রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সিবিআই যে তা উদ্ধার করতে পারল না, তা আরও দুর্ভাগ্যজনক। তবে আমি ওই কথা সিবিআইয়ের উদ্দেশে মজা করে বলেছি। আমরা চাই, নোবেল দ্রুত উদ্ধার হোক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.