অরূপ বসাক, মালবাজার: শংকর ঘোষ এবং খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও দুই। বুধবারই ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে নাগরাকাটা থানার পুলিশ। জানা যাচ্ছে, রাতেই বিশেষ অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত দুজনের নাম শাহানূর আলম এবং তোফায়েন হোসেন। দুই বিজেপি নেতার উপর হামলার ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল চার। ঘটনার পরেই বিজেপির তরফে আটজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করে বিজেপি। তবে ধৃতদের নাম এফআইআরে থাকা নিয়ে ধোঁয়াশা।
গত সোমবার নাগরাকাটায় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ এবং মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁদেরকে লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। ইটের আঘাতে আহত হন দুই বিজেপি নেতাই। শুধু তাই নয়, একেবারে রক্তাক্ত পরিস্থিতি হয় বিজেপি সাংসদের। জানা যায়, ইটের আঘাতে তাঁর চোখের নিচে হাড় ভেঙেছে। বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে খগেন মুর্মু চিকিৎসাধীন থাকলেও ছাড়া পেয়েছেন শংকর ঘোষ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খগেন মুর্মুকে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ঘটনার প্রায় ৫১ ঘণ্টা পর বুধবার দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় গোবিন্দ শর্মা এবং একরামুল হক নামে দুজনকে। জানা যাচ্ছে, এরপরেই গভীর রাতে নাগরাকাটা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় শাহানূর আলম এবং তোফায়েন হোসেনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, দুজনের বাড়ি নাগরাকাটা থানা এলাকার খয়েরবাড়ি এলাকায়। ঘটনায় যুক্ত বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
সর্বশেষ খবর
-
এমবাপে ম্যাজিকেই বাজিমাত, সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ফ্রান্স
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের