১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

বিক্রম রায়, কোচবিহার: দলের একাংশের অন্তর্ঘাতেই কী কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রটি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা করছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব? খোদ দলের জেলা সভাপতি ও মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের ফেসবুক পোস্টে জল্পনা তুঙ্গে। ফেসবুকে পোস্টে  ‘গদ্দার’দের দল থেকে তাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ঝুলছে ‘রাজনৈতিক’ বদলির খাঁড়া, ফলপ্রকাশের আগে আতঙ্কে কাঁটা পুলিশ প্রশাসন]

স্রেফ কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসের দলের সভাপতিই নন, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীও বটে। বুধবার, লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের ঠিক আগের দিন, ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। মন্ত্রী লিখেছেন, ‘দলের ভিতর যাঁরা গদ্দার, পিছন থেকে ছুরি মেরেছে, তাঁদের নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গদ্দারদের দল থেকে তাড়ানো হবে।’ বছরভর কোচবিহারে দলের গোষ্ঠীকোন্দল লেগেই থাকে। বস্তুত,  এবার কোচবিহার কেন্দ্রে যিনি বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন, সেই নিশীথ প্রামাণিক একসময়ে তৃণমূল কংগ্রেসেরই যুবনেতা ছিলেন। পঞ্চায়েত ভোটে দিনহাটা ব্লকের একাধিক আসনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিলেন। নির্দল প্রার্থীরা জিতেও গিয়েছিলেন। এরপরই নিশীথ প্রামাণিককে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব।  উলটো দিকে আবার পঞ্চায়েত ভোটের পরই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন বাম বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী। তিনি আবার রাজ্যের শেষ বাম সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন। তাঁকেই এবার কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। শোনা যাচ্ছে,  যিনি সদ্য দলে যোগ দিয়েছেন, তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে খুশি নন জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদেরই একাংশ। এই প্রেক্ষাপটে  তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের ফেসবুক পোস্টে জল্পনা আরও বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এদিকে কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্রে বাইরে তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করা নিয়ে বুধবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল শহরে। পুলিশ সুপার অমিত কুমার সিংয়ের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন খোদ তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি ও মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। পুলিশ সুপারকে তিনি রীতিমতো হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, গণনাকেন্দ্র থেকে একশো মিটারেরও কম দূরত্বে একটি ক্যাম্প অফিস তৈরি করেছিল তৃণমূল। পুলিশ সুপার যখন ক্যাম্প অফিসটি সরিয়ে নিতে বলেন, তখনই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সুপারের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মন্ত্রীর বক্তব্য, যে জায়গায় ক্যাম্প অফিস করা নিয়ে আপত্তি তুলেছে পুলিশ, সেই জায়গাতেই প্রতিবারই ভোটের সময়ে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস হয়। কিন্তু, এবার চক্রান্ত করে ক্যাম্প অফিসটি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও শেষপর্যন্ত গণনাকেন্দ্র থেকে ১০০ মিটারেরও কম দূরত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাম্প তৈরির কাজ বন্ধ করে দেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার সিং।

দেখুন ভিডিও:

 

ছবি ও ভিডিও: দেবাশিস বিশ্বাস

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং