Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ

ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, ছেলের অত্যাচারে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ অশীতিপর বৃদ্ধা

বিচারের আশায় ঘুরছেন তিন সন্তানের জননী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০১৯, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০১৯, ২০:২৯

options
link
ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, ছেলের অত্যাচারে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ অশীতিপর বৃদ্ধা zoom
Advertisement

রাজা দাস, বালুরঘাট: ছেলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও নেওয়া হয়নি কোনও ব্যবস্থা। বিচারের আশায় এবার মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ অশীতিপর বৃদ্ধা। শেষ সম্বল থাকা বসত জমি হাতাতে ছোট ছেলে নানাভাবে অত্যাচার করছে বলেই অভিযোগ তপন থানার খড়দহ এলাকার কাটাবাড়ি বাসিন্দা বৃদ্ধা শান্তি মণ্ডলের।

জানা গেছে, বৃদ্ধার তিন ছেলে। তিনজনেই নিজেদের ভাগের জায়গা নিয়ে পৃথকভাবে থাকে। মাত্র ১ শতক জায়গাতে একটি মাটির ঘর সম্বল ছিল বৃদ্ধার। চলতি বর্ষায় সেই ঘরটিও ধসে পড়েছে। এরপর থেকে গ্রামের রাস্তার ধারে তিনি একটি ছাউনি করে থাকছেন। সামান্য ভাতার টাকায় ঘর মেরামত করতে অপারগ তিনি। এরমধ্যে তাঁর ছোট ছেলে রবি মণ্ডল সেই এক শতক জায়গার জন্য বৃদ্ধা মা শান্তি মণ্ডলের উপর অত্যাচার করছে বলে অভিযোগ। ছেলের অত্যাচারে গত ১০ অক্টোবর স্থানীয় তপন থানায় অভিযোগ জানান তিনি। কিন্তু কোনও বিচার না পেয়ে অবশেষে এদিন তিনি বালুরঘাট মহকুমা শাসকের দারস্থ হন। বিস্তারিত জানিয়ে সেখানে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন শান্তি দেবী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নোবেল পেয়েছেন ‘অভিষেক’! বাঙালি অর্থনীতিবিদের নামই ভুলে গেলেন মমতা]

বৃদ্ধা শান্তি মণ্ডলের অভিযোগ, ছোট ছেলে রবি মণ্ডল তাঁর ভেঙে পড়া ঘরের মাটি বলপূর্বক কেটে কেটে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদ করতেই তাঁকে মারধর করেছে। এখন বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। আগেই তাঁর সমস্ত জায়গা জমি লিখে নিয়েছে ছেলেরা। এখন ছোট ছেলের নজর সেই একশতক ঘরের জায়গাটি। বৃদ্ধা শান্তি মণ্ডলের দাবি, তিনি এর আগে তপন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু থানা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে তিনি মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন।

বালুরঘাটের মহকুমা শাসক ঈশা মুখোপাধ্যায় জানান, বৃদ্ধার অভিযোগ মিলতেই তিনি সেটি প্রটেকশন বিভাগে পাঠিয়েছেন। আধিকারিক ইতিমধ্যে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন। ঘটনার সত্যতা প্রমাণ হলে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আইনানুসারে পদক্ষেপ করবেন। একজন বৃদ্ধার উপর অত্যাচার কখনও মেনে নেওয়া হবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.