Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Panchayat Election 2023

Panchayat Election 2023: মুখোশ গ্রামে লেগেছে ভোটের রং, ঘাসফুল-পদ্মে ছেয়েছে চতুর্দিক

মুখোশ গ্রামের ভোট পরবকে ঘিরে কোথাও কোন হিংসা নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৩, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৩, ২০:২০

options
link
Panchayat Election 2023: মুখোশ গ্রামে লেগেছে ভোটের রং, ঘাসফুল-পদ্মে ছেয়েছে চতুর্দিক zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ভ্যাপসা গরমে পর্যটকদের দেখা নেই। বিক্রিবাটাও কম। কিন্তু তাতে কী? রঙবাহারি মুখোশ গ্রামে যে লেগেছে ভোটের রঙ। রঙিন মুখোশের মতোই ভোটের আবহে গ্রামও হয়ে উঠেছে রঙিন। শিল্পী গ্রাম বলে কথা। ভোট পরবে সেই শিল্পকর্ম ফুটে না উঠলে মুখোশ গ্রামের মর্যাদা থাকবে কী করে? তাই ভোট (Panchayat Election 2023) উৎসবে মেতেছেন শিল্পীরাও।

পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের অযোধ্যা পাহাড়তলির চড়িদা। অযোধ্যা পাহাড় ছুঁয়ে থাকা এই জনপদ ছৌ মুখোশ গ্রাম নামে পরিচিত। ছৌ নাচের যে তিনটি ধারা রয়েছে। সেই বীররসের ছৌ নাচের উৎপত্তি এ তল্লাটেই। মনে আছে তো? পদ্মশ্রী গম্ভীর সিং মুড়া-র কথা। ছৌ শিল্পকলার জন্য যিনি পদ্মশ্রী পেয়েছিলেন। সেই গম্ভীর সিং মুড়ার বাড়িও এই গ্রামে। তাই তো চড়িদা ছৌ নাচের আঁতুড়ঘর। শিল্পীরা কাগজ, কাপড়, মাটি দিয়ে মুখোশে রঙ তুলি দিয়ে ফুটিয়ে তোলেন দুর্গা, মহিষাসুর, কার্তিক, গণেশের ছবি। তাই এই গ্রামের পরিচয় ছৌ মুখোশ গ্রাম। সেই গ্রামে শিল্পীরাও তাদের নিপুন শিল্পকর্মে গ্রামকে রঙিন করে ভোট উৎসবে মজেছেন। গ্রামজুড়ে প্রায় একশোর কাছাকাছি শিল্পী আছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আগে রাস্তা পরে ভোট’, উন্নয়নের তাল কাটল ‘তৃণমূলেরই’ তিন গ্রাম]

তবে মুখোশ গ্রামের ভোট পরবকে ঘিরে কোথাও কোন হিংসা নেই। নেই কোনো ঝুট-ঝামেলা। মুখোশ শিল্পী জগদীশ সূত্রধর বলেন, “আমাদের গ্রামে নিজেদের মতো করে নিজের পছন্দ রাজনৈতিক দলের পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স, টাঙিয়ে সাজিয়েছি। সেই সঙ্গে নিজেদের দেওয়ালে প্রার্থীর নাম দিয়ে দেওয়াল লিখনও করেছি আমরা। এই নিয়ে আমাদের কোথাও কোন অশান্তি, ঝুট-ঝামেলা নেই। যে যার পছন্দ অনুযায়ী ঘর ও দোকানের দেওয়াল সাজিয়ে মুখোশ গ্রামকে ভোটের আবহে রাঙিয়ে তুলেছে।”

আরেক শিল্পী ধরণীধর দত্ত বলেন, “বর্ষা এসেছে ঠিকই। কিন্তু এমন ভ্যাপসা গরম রয়েছে যে পর্যটকদের দেখা নেই। ফলে মুখোশের বিক্রিবাটা একেবারে কম। তবে সামনে ভোট পরব হওয়ায় আমরা সবাই মেতে উঠেছি। এই গ্রাম তো শিল্পী গ্রাম। ভোটের মতো বড় উৎসবে তার যদি প্রতিফলন না থাকে তাহলে শিল্পী গ্রামের মর্যাদা থাকবে কোথায়? সেই জন্য মুখোশের মতো ভোটের প্রচারেও গ্রাম রঙিন হয়েছে।”

গ্রামজুড়ে কোথাও পতপত করে উড়ছে ঘাসফুলের পতাকা। কোথাও আবার পদ্ম ফুলের ফ্লেক্স। সেই সঙ্গে দেওয়াল লিখনে আজসুর প্রতীক পাকাকলা। রয়েছে দেওয়াল জুড়ে হাতের ছবি। কোথাও কোথাও উঁকি দিচ্ছে হাঁ করা সিংহও। গ্রামে ঢুকলেই চারপাশ একেবারে রঙিন। সেই সঙ্গে সাউন্ড সিস্টেমে নানা লোকগানে রাজনৈতিক দলের প্রচারও চলছে। ভোটের আগে একেবারেই জমজমাট পাহাড়তলির এই ছৌ তল্লাট।
দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: জয়তী চক্রবর্তীর পর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, মার্কিন মুলুকে চূড়ান্ত অপমান পদ্মভূষণের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.