মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: নিজের প্রচার করতে গিয়ে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জাতীয় পতাকার সাদা রঙের মধ্যে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক, প্রার্থীর মুখ এঁকে ফেস্টুন তৈরি করা হয়। আর এ নিয়েই তুঙ্গে বিতর্ক।
জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার অভিযোগে বিজেপির পক্ষ থেকে ওই প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি করা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিষয়টা তাঁদের জানা নেই। আর এ ধরনের কাজ তাঁরা করতে পারেন না।
[আরও পড়ুন: ‘পায়ে-কোমরে ব্যথা, মানুষের কাছে পৌঁছতে পারছি না’, হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলেন মমতা]
উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের বানীবন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর সংসদের ২১৭ নম্বর বুথের ঘটনা এটি। এবারে এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন দীপা প্রামাণিক। তিনি আবার বানিবন গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রাক্তন উপপ্রধান ছিলেন। কিন্তু বছরখানেক আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। সোমবার রাতে স্থানীয় কিছু মানুষের নজরে পড়ে জাতীয় পতাকার ফেস্টুন তৈরি করে সেখানে সাদা রঙের উপরে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীকের ছবি, প্রার্থীর মুখ ছেপে দেওয়া হয়েছে। তারপরে অবশ্য গুঞ্জন শুনেই সেগুলো খুলে নেওয়া হয়েছে কিন্তু ততক্ষণে তা অনেকের ক্যামেরাবন্দি হয়ে গিয়েছে।
প্রার্থী দীপা প্রামাণিকের স্বামী শ্রীকান্ত প্রামাণিক বলেন, “আমরা একটু মানসিকভাবে সমস্যায় রয়েছি। কারণ বাড়িতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গিয়েছে একজনের। এছাড়া আমাদের জানা নেই জাতীয় পতাকার মধ্যে দলীয় প্রতীকের চিহ্ন ও প্রার্থীর মুখ এঁকে দেওয়া হয়েছে। এই রকম কাজ আমরা করতে পারি না।” এই ঘটনা তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা রমেশ সাধুখাঁ বলেন, জাতীয় পতাকার জন্য মানুষ আত্মত্যাগ করে সেই জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছেন এই তৃণমূল প্রার্থী। এটা দেশদ্রোহিতামূলক কাজ। এই প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।
সর্বশেষ খবর
-
এবার ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ বাঁধাবেন একেনবাবু, সম্মুখ সমরে ঋত্বিক! আর কোন চমক?
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের