Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
TMC and ISF workers clashes in Chandrakona

Panchayat Vote 2023: লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘হামলা’, আইএসএফ ও তৃণমূল সংঘর্ষে চন্দ্রকোণায় আশঙ্কাজনক ৫

দু'জন আইএসএফ প্রার্থীর হাত ও পা ভেঙে গিয়েছে বলেই দাবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৩, ১৬:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৩, ১৬:১৯

options
link
Panchayat Vote 2023: লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘হামলা’, আইএসএফ ও তৃণমূল সংঘর্ষে চন্দ্রকোণায় আশঙ্কাজনক ৫ zoom

শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: পঞ্চায়েত নির্বাচনী আবহে ফের রাজ্যে আইএসএফ ও তৃণমূল সংঘর্ষ। আর তার জেরে ভাঙড়ের পর উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা। দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন আইএসএফ নেতা-কর্মীদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

আইএসএফের দাবি, পুলিশের অনুমতি নিয়ে চন্দ্রকোণার ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর গ্রামে মিছিল করে। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আইএসএফের উপর হামলা চালায়। পালটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে তারা। তাতেই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। শেখ আবদুল ও নাজিবুল মণ্ডল-সহ দুই আইএসএফ প্রার্থী গুরুতর জখম হন। শেখ আবদুলের হাত ভেঙে গিয়েছে। নাজিবুল মণ্ডলের হাত ও পা ভেঙে গিয়েছে। এছাড়া ১৫ জন অল্পবিস্তর জখম হন। আইএসএফের কনভেনার রাজিবুল রহমান মণ্ডল বলেন, “পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রচার চলছিল। গড়বেতা থেকে আসা তৃণমূলের লোকজন আমাদের উপর হামলা চালায়। তারপরই শুরু হয় সংঘর্ষ।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিনা পয়সায় ৪০ অপারেশন, শহরে এই প্রথম অস্ত্রোপচার মেলা]

ওই ১৫ জনকে চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে শেখ আবদুল, নাজিবুল-সহ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নাজিবুল মণ্ডলকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ওই গ্রামের সিপিএম ও আইএসএফের মোট ৯ জন প্রার্থীর বাড়ি এবং বাইকও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বিরোধীদের যাতে প্রচার করতে না পারে তাই বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মীরা কার্যত পাহারা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ।

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাকেশ সরকার। তিনি বলেন, “আমরা প্রচারে বেরিয়েছিলাম। আইএসএফ ও সিপিএম হামলা চালায়। আমাদের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তোলে।” এই ঘটনার পর এলাকায় মোতায়েন চন্দ্রকোণা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

[আরও পড়ুন: আচমকাই ‘নাটক’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অজিত পওয়ার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.