Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Ratua

ভয়াল ভাঙন! রতুয়ায় গঙ্গাবক্ষে তলিয়ে গেল স্কুলের একাংশ

স্কুলের একাংশ ভেঙে যাওয়ায় পঠনপাঠন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর জেরে বিপাকে পড়েছেন পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৮:২১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৮:২১

options
link
ভয়াল ভাঙন! রতুয়ায় গঙ্গাবক্ষে তলিয়ে গেল স্কুলের একাংশ zoom
রতুয়ায় গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে একটি প্রাথমিক স্কুলের একাংশ। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

এবার ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙনের কবলে পড়ল একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শনিবার রাতে রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দাটোলা অঞ্চলের পশ্চিম রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাংশ নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। এই ঘটনায় প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। স্কুলের একাংশ ভেঙে যাওয়ায় পঠনপাঠন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর জেরে বিপাকে পড়েছেন পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা।

গঙ্গার জলস্তর বাড়ায় আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে রতুয়া-১নং ব্লকের মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম রতনপুর গ্রাম। ইতিমধ্যেই ভাঙনের কবলে পড়ে গৃহহীন হয়েছে বহু পরিবার। বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ায় অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। ভাঙনের গ্রাস থেকে রেহাই পায়নি এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। পশ্চিম রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটা বড় অংশ শনিবার রাতে গঙ্গার জলে তলিয়ে গিয়েছে। প্রায় অর্ধেক স্কুল গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ায় কার্যত গঙ্গার পাড়ে ঝুলছে বিদ্যালয়ের একাংশ। যেকোনও মুহূর্তে বাকি অংশও নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আপাতত অন্য একটি বিদ্যালয়ের তাদের পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বিদ্যালয় ভবন এভাবে নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় আতঙ্ক ও উদ্বেগে পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবকরা।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর পাড়ের মাটি ক্রমশ ধসে পড়ছে। ইতিমধ্যে বহু পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাই দুর্গতরা প্রশাসনের কাছে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙন রোধ করা না গেলে আরও বাড়িঘর, রাস্তা এবং অন্যান্য পরিকাঠামো নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিম রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবশিষ্ট অংশ রক্ষা করতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে জানান স্থানীয়রা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.