Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, রোগীমৃত্যুতে কাঠগড়ায় কর্তব্যরত আয়া

দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ১২:১৫

options
link
চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, রোগীমৃত্যুতে কাঠগড়ায় কর্তব্যরত আয়া zoom

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া:  ফের প্রশ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা। এবার অভিযোগ উঠল আয়াজের বিরুদ্ধে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিল ১৪ বছরের এক কিশোরী। অভিযোগ, চিকিৎসকরা অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দিলেও সেদিকে কর্ণপাত করেনি কর্তব্যরত আয়ারা। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় কিশোরীর। উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। 

[ অস্থায়ী শিবিরে ভয়াবহ আগুন, পুরুলিয়ায় মৃত ৭ ]  

শুক্রবার উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল উলুবেড়িয়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বহির্বিভাগের। আর তার ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীদের গাফিলতিতে এক ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে। মৃত ছাত্রীর নাম মধুমিতা দাস। সে পাঁচলা থানার সামন্তির বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথমে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে ওই কিশোরীকে গাববেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন। এরপর রোগীর আত্মীয়রা তাকে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসকরা তৎক্ষণাৎ রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দিলেও কর্তব্যরত আয়ারা সেকথা কানে তোলেননি। এরপর দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই রোগীকে অক্সিজেন দেননি বলে অভিযোগ। এরপর পরিবারের লোকেরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর কাছে যায়। ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে মধুমিতার।

Advertisement

  [দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় মৃত্যু মিশমি টাকিনের, গাফিলতির অভিযোগ]

পরিবারের অভিযোগ, কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে অক্সিজেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও তারা কোনও কথা শোনেননি। এমনকী অক্সিজেন দেওয়ার বিনিময়ে টাকারও দাবি জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে কয়েকজন। গোটা ঘটনাটি স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতাল সুপার সুদীপ কারার। তিনি বলেন , দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালে তাণ্ডব চালাচ্ছেন আয়ারা। তবে অধিকাংশ বিভাগে আয়া দৌরাত্ম্য দূর করা গেলেও এখনও কয়েকটি বিভাগে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ও অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া হবে এমনটাই আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ রোগীর পরিবার। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.