Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

সকালে মৃতপ্রায় সন্তানসম্ভবা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন বিকেলে

নজির বারাসত জেলা হাসপাতালের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৩:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৩:২৫

options
link
সকালে মৃতপ্রায় সন্তানসম্ভবা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন বিকেলে zoom
ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: মৃতপ্রায় রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়াই হাসপাতালের দস্তুর। সরকারের নিরন্তর চেষ্টা সত্ত্বেও এই অভ্যাস বদলায়নি অনেক হাসপাতালের। তবে চিরাচরিত সেই রীতি ভেঙে মরণাপন্ন এক রোগীকে মত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনে নজির গড়ল বারাসত হাসপাতাল।

[OMG! অমিতাভকেই শাহরুখের ‘বাবা’ মনে করে খুদে আব্রাম]

গর্ভনালি ফেটে সোমবার সকালে মরতে বসেছিলেন হাবড়ার এক গৃহবধূ। পেটের ভিতর ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রতি মুহূর্তে ধাপে ধাপে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। চিকিৎসার ঝুঁকি নিতে চায়নি স্থানীয় হাসপাতাল। অন্যত্র রেফার করে দেওয়া হয়। তবে মুখ ফেরায়নি বারাসত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারের লোকেরা হাল ছেড়ে দিলেও তাঁরা পিছিয়ে যায়নি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অস্ত্রোপচার করে ‘র‌্যাপচার্ড অ্যাক্টোপিক প্রেগন্যান্সি’-র ওই রোগীকে জীবন ফিরিয়ে দিলেন বারাসত হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বেলা বারোটার সময়ও যার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না, সেই টিটু মণ্ডল (৩২)এদিন বিকেলে সুস্থ হয়ে, পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। টিটুদেবীর আত্মীয়রা বলছেন, “ভাবাই যায়নি, জেলার হাসপাতালে এভাবে চিকিৎসা হয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বিশ্ববাংলা লোগো-মুখ্যমন্ত্রীর ব্যানারে কালি, সন্দেহে বিজেপির যুব মোর্চা]

উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থানা এলাকার কাশীপুরের বাসিন্দা টিটুদেবী। স্বামী পেশার কারণে বেশিরভাগ সময় রাজ্যের বাইরে থাকেন। ছ’বছরের ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একাই থাকেন টিটুদেবী। মাসখানেক আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন। টিটুদেবীর বাপের বাড়ির লোকেদের থেকে জানা যায়, এদিন সকালে আচমকা পেটে যন্ত্রণায় কাতরাতে শুরু করেন তিনি। জানা যায়, ফ্যালোপিয়ান টিউব অর্থাৎ গর্ভনালিতে ভ্রুণের জন্ম হওয়ায় সেটি ফেটে গিয়েছে। হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করা হয় বলে অভিযোগ। চিকিৎসকদের থেকে জানা যায়, ‘র‌্যাপচার্ড অ্যাক্টোপিক প্রেগন্যান্সি’-র রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া অপরাধ। কারণ এই ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিট মূল্যবান। বারাসত হাসপাতালে টিটুদেবীকে আনা হয়। বারাসত হাসপাতালের সুপার সুব্রত মণ্ডল বলেন, “বেলা বারেটা নাগাদ যখন ওঁকে আনা হল, তখন অবস্থা খুবই সংকটজনক। পালস নেই। শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছে। ওই অবস্থায় তাঁকে সোজা অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।” বারাসত হাসপাতালের সার্জেন মন্টুলাল মাইতির নেতৃত্বে তিনজনের একটি দল টিটুদেবীর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। শেষপর্যন্ত সফলভাবেই শেষ হয় অস্ত্রোপচার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.