Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dubrajpur

খাটিয়ায় রোগী নিয়ে খাল পারাপার! প্রতিকূলতা-সংগ্রামই যেন জীবনের অঙ্গ দুবরাজপুরের ‘সেতুহীন’ গ্রামে

বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লকের দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশতোড়া গ্রামের মোজরা খাল পাড়ের এই জনপদে নেই কোনও সেতু।

টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৯:৫৭

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৯:৫৭

options
link
খাটিয়ায় রোগী নিয়ে খাল পারাপার! প্রতিকূলতা-সংগ্রামই যেন জীবনের অঙ্গ দুবরাজপুরের ‘সেতুহীন’ গ্রামে zoom
খাটিয়ায় রোগী নিয়ে খাল পেরোচ্ছেন গ্রামবাসীরা। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

খালের ঘোলা জল হাঁটু ছুঁয়েছে। দোসর কাদা। বিপদ যেন ওঁত পেতে আছে। পা কোথায় ফেলবেন, তা ঠাহর করতে পারছেন না বাসিন্দারা। তার মধ্যে চার জনের কাঁধে বাঁশের খাটিয়া! খাটিয়ায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন অসুস্থ রোগী। কেউ খাটিয়ার বাঁশ শক্ত করে ধরে আছেন, কেউ পা গেঁথে দিচ্ছেন কাদায়। এক বার পা পিছলে গেলেই খাটিয়ে থেকে সোজা জলে রোগী। এভাবেই প্রতিকূলতা পেরিয়া মূল রাস্তায় পৌঁছতে হয় বিরারডাঙ্গার বাসিন্দাদের।

বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লকের দুবরাজপুর (Dubrajpur) গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশতোড়া গ্রামের মোজরা খাল পাড়ের এই জনপদে নেই কোনও সেতু। গ্রামের রাস্তার অবস্থাও বেহাল। বর্ষায় বৃষ্টি বাড়লেই খালের জল ফুলে ওঠে, স্রোত বাড়ে। তখন জরুরি প্রয়োজনে গ্রাম থেকে বেরোনোই বড় পরীক্ষা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে প্রথমে তাঁকে খাটিয়ায় তুলে খালের কাছে আনতে হয়। তারপর শুরু হয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার। খাটিয়ার নিয়ে সাধারণ মানুষকে কয়েক জনকে নামতে হয় জলে। সামনে কে কোথায় পা ফেলছেন, তা বোঝাও কঠিন ঘোলা জলের কারণে। রোগীকে সামলে এক পা এক পা করে এগোতে হয়। মাঝপথে স্রোত বেশি থাকলে কয়েক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতেও হয়। ওপারে পৌঁছনোর পরেও শেষ হয় না দুর্ভোগ—কাদা মাড়িয়ে মূল রাস্তায় পৌঁছে তবেই মেলে অটো বা টোটো।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
খাল পেরিয়ে মূল রাস্তায় এসে টোটো ধরতে হয়। নিজস্ব ছবি।

স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ মাহাতো বলেন, “কারও পা পিছলে গেলে কী হবে, সেই ভয়টা সব সময় থাকে। বছরের পর বছর ধরে এই সংগ্রাম চলছেই।” বাসিন্দা মালতী সরেন বলেন, “হাসপাতালে যাওয়ার আগে খাল পার করাটাই সবচেয়ে বড় চিন্তা। বর্ষায় জল বাড়লে আতঙ্ক বাড়তে থাকে গ্রামে।” গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনও কাজ হয়নি। তাঁদের দাবি, শুধু যাতায়াত নয়, জরুরি চিকিৎসার কথা মাথায় রেখেও মোজরা খালের উপর দ্রুত স্থায়ী সেতু তৈরি করা হোক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.