Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

কুয়োর জল আচমকা নীল, রানিগঞ্জে শোরগোল

কী বলছে বিজ্ঞান মঞ্চ? দেখুন রঙিন জলের ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৬:২০

options
link
কুয়োর জল আচমকা নীল, রানিগঞ্জে শোরগোল zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: খনি অধ্যুষিত হওয়ায় কুয়োর জল মাঝে মাঝে শুকিয়ে যায়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে কুয়োর জলের রং রাতারাতি পাল্টে যাওয়ায় শোরগোল পড়ে গেল রানিগঞ্জে। চেনা কুয়োর জল হয়ে গেল নীল রঙের।

[গৌড় এক্সপ্রেসে প্রাক্তন মন্ত্রীর ব্যাগ চুরি, ফের প্রশ্নের মুখে রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

KUO 4

রানিগঞ্জের এগারা ডোমপাড়ায় একটি কুয়োর জলের রং নীল হয়ে যায় একরাতের মধ্যে। বুধবার সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। ঘন নীল রঙ জল দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। এলাকার বাসিন্দাদের প্রাথমিক ধারণা বিষাক্ত গ্যাসে নির্গত হয়ে জলের রং নীল হতে পারে। মিথেন গ্যাসের প্রভাবে জলের রং পরিবর্তন কিনা খতিয়ে দেখতে স্থানীয়রাই মশালে আগুন জ্বালিয়ে কুয়োর মধ্যে প্রবেশ করায়। সেই পরীক্ষায় দেখা যায় আগুন ছড়াচ্ছে না। এমনকি কুয়োর মধ্যে কিছু মাছ ছিল সেগুলিও দেখা যায় জীবিত রয়েছে। তবে সেগুলি গভীরে না গিয়ে জলের ওপরেই দিনভর ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা বীনাপানি মাজি জানান, তিনি যখন কুয়ো থেকে জল তুলে ব্যবহার করতে যান তখন দেখা যায় দুর্গন্ধ রয়েছে জলের মধ্যে। স্থানীয় সুদর্শন খাঁর কথায়, ‘‘এগারার এই কুয়োটি সরকারি এবং অনেকদিনের পুরানো। ১৯৭০ সাল থেকে ওই কুয়োটি রয়েছে। ২০১৪ সালে স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে সংস্কার করা হয়।’’ এলাকাবাসীরা সারা বছর এই কুয়োর জল ব্যবহার করেন। কাপড় কাচা, বাসন মাজা এমনকী স্নানের কাজে ব্যবহার হয় কুয়োর জল। গ্রীষ্মকালে যখন সব জায়গায় জল শুকিয়ে যায় তখন কেউ কেউ কুয়োর পানীয় জলে তৃষ্ণা মেটান।

KUO 5

[ইতিহাসের সাক্ষী হয়েও উপেক্ষিতই রয়েছে মুর্শিদাবাদের এই দিঘি]

এগারা পঞ্চায়েতের প্রধান অশোক হেলা জানান, ‘‘খবর পেয়েছি। তবে ঠিক কী কারণে জলের রং এমন হল তা খতিয়ে দেখা হবে। কেউ রং ঢেলে দিতেও পারেন বা খনি এলাকা হওয়ায় অন্য কারণও হতে পারে। জলের রং পরিবর্তনের কারণ না জানা পর্যন্ত এখনই ওই জল ব্যবহার করা উচিত নয়।’’ উল্লেখ্য এগারা এলাকায় বেঙ্গলকোল আমলের পুরাতন একটি পরিত্যক্ত খনি রয়েছে। যেটি বর্তমানে বন্ধ। সেই খনি থেকে বিষাক্ত গ্যাসের সংযোগ হলে জলের রং নীল হতে পারে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের রাজ্য কাউন্সিলের সদস্য কিংশুক মুখোপাধ্যায় জানান, ‘‘খনি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানীয় জল অনেক সময় প্রভাবিত হয়। এটি তেমন কিছু ঘটনা কিনা তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.