নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: ভাইকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত দাদার ফাঁসির দাবিতে মিছিল করল একদল যুবক যুবতি। মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করে তারা। তাঁদের এও দাবি, নেশা সমাজ থেকে সরাতে হবে। নাহলে এমন ঘটনা আরও ঘটবে। যাতে নেশার কবলে পড়ে মানুষের মনুষত্ব না হারায়, তারও অনুরোধ জানায় তারা।
[ মানসিক অবসাদে গঙ্গায় ঝাঁপ, মাঝির তৎপরতায় রক্ষা পেলেন বধূ ]
আসল ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। পুরাতন বনগাঁর সাতভাই কালীতলায় এলাকায় সপরিবারে থাকেন লিটু বাগচি। পেশায় তিনি দিনমজুর। স্ত্রী, দুই ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে অভাবের সংসার। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, লিটু বাগচির ছোট ছেলে তারণ অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। স্থানীয় দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র তিনি। বড় ছেলে বেঞ্জামিনের ভাইয়ের ঠিক উলটো। তার উপর কয়েক বছর আগে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে আবার মদের নেশাও ধরেছিল সে। নেশার টাকার জন্য প্রায়ই অশান্তি করত বেঞ্জামিন। নেশা ছাড়াতে ছেলেকে নেশামুক্তি কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলেন লিটুবাবু। তাতে কাজও হয়েছিল। কিন্তু পুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরে ফের নেশা করতে শুরু করে বেঞ্জামিন। বাগচি বাড়িতে আবারও অশান্তি শুরু হয়। সোমবার রাতে নেশার টাকা না পেয়ে বাড়িতে অশান্তি করছিল বেঞ্জামিন। তখন ঘুমোচ্ছিলেন তার ছোট ভাই তারণ। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, আমচকাই ঘুমন্ত ভাইকে মুগুর দিয়ে মেরে চম্পট দেয় বেঞ্জামিন। রক্তাক্ত অবস্থায় তারণকে নিয়ে যাওয়া হয় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু, তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
মঙ্গলবার সকালে বনগাঁ স্টেশন থেকে অভিযুক্ত বেঞ্জামিন বাগচিকে আটক করেছে আরপিএফ। বর্তমানে অভিযুক্ত বনগাঁ আদালতে বিচারাধীন।
[ চাঁদা না দেওয়ায় লরিচালককে মারধর, প্রতিবাদে অবরোধ বর্ধমানে ]
সর্বশেষ খবর
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা