Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

‘পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে এত ঔদ্ধত্য? লজ্জা হয় আমার’

'মিথ্যচার করে যাঁরা দাঙ্গা লাগায়, তাঁদের যেন বাংলার মানুষ ক্ষমা না করে'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০১৭, ১০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০১৭, ১০:৫৫

options
link
‘পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে এত ঔদ্ধত্য? লজ্জা হয় আমার’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাম জমানাতেও কুরুচিকর আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন। রাজ্যে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে। এখনও তাঁর বিরুদ্ধে উচ্চারিত হয়ে চলেছে আপত্তিকর মন্তব্য। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের বিজেপি পর্যবেক্ষক শ্যামাপদ মণ্ডল। মালদহের সভা থেকে সেই কুরুচিকর আক্রমণের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

খাইয়েছিলেন অমিত শাহকে, এবার তৃণমূলে যোগ মাহালি দম্পতির  ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার মালদহের প্রশাসনকি বৈঠক শেষে মমতা বলেন, “এঁরা আমার পিতৃপরিচয় নিয়েও প্রশ্ন করে। প্রশ্ন তোলে আমার মাতৃপরিচয় নিয়ে। এত ঔদ্ধত্য আসে কোথা থেকে? অন্য জায়গা হলে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠত। লজ্জা হয় আমার।” এদিনের সভায় সরকারি সাফল্যের নানা খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি বিজেপিকে একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, “এঁরা নকল হিন্দু। শুধু হিন্দু হিন্দু করলে কী হবে? মুখে শুধু বললেই কেউ হিন্দু হয়ে যায় না।” রামনবমীতে বিজেপির অস্ত্র নিয়ে মিছিলকেও এদিন টার্গেট করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, “দেবতারা দানব নিধনের জন্য অস্ত্র ধারণ করেন। কিন্তু মানুষ কখনও হাতে অস্ত্র তুলে নেয় না। দেবতার পুজো হাতে অস্ত্র নিয়ে হয় না।”

সংঘর্ষ বিধ্বস্ত ভদ্রক ঘুরে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী ]

পাশাপাশি এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যাচারেরও অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, একের পর এক পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হেয় করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশের খুনের ছবি পোস্ট করে বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি চলছে। কখনও আবার বলা হচ্ছে দক্ষিণেশ্বরে মঙ্গলআরতি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন চ্যালেঞ্জ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশের সঙ্গে এই ধরনের পোস্টের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, তিনি যদি মানহানির মামলা করেন, তবে ক্ষতিপূরণ দেবে তো? ক’দিন আগেই রাজ্যে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, কৃষিতেও পিছিয়ে গিয়েছে রাজ্য। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন যে, কোন তথ্যের ভিত্তিতে এ কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি জানতে চান। সেদিনই তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলা যদি কৃষিতে পিছিয়েই থাকবে, তাহলে ভারত সরকার বাংলাকে কৃষিতে সম্মান দিল কী করে? অমিত শাহ রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে বলেছিলেন, এই রাজ্যের সরকার সরস্বতী পুজোকে রক্ষা করতে পারবে তো? এ নিয়েও এদিন জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যেই তিনি প্রশ্ন রাখেন, রাজ্যে কি সরস্বতী পুজো হয়নি? মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিথ্যে কথা বলে যাঁরা দাঙ্গা লাগাচ্ছে, তাঁদের যেন বাংলার মানুষ ক্ষমা না করে।

পৈতৃক জমি মন্দিরে দান করে সম্প্রীতির নজির মুসলিম পরিবারের ]

এদিন নারদ-কাণ্ডের কথাও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতায়। নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নাম করেই তিনি জানান, বিজেপির টাকা নিয়ে জেলে যেতে হবে এমন খারাপ অবস্থা তাঁর নয়। বস্তুত নারদকাণ্ডে যে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ তিনি আগেও তুলেছিলেন, এদিনও সে অবস্থানই বজায় রাখলেন। শিলিগুড়িতে মাহালি দম্পতির তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়েও তাঁর দলের বিরুদ্ধে চাপসৃষ্টির অভিযোগ উঠেছিল। এদিন তা নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বলা হচ্ছে রাজ্যে নাকি ‘রেকলেস ভায়োলেন্স’ চলছে। কই এখন তো গ্রামদখল হয় না, রাত জেগে পাহারা দিতে হয় না।” বাংলায় যে শান্তি-সুস্থিতি বজায় আছে, তা নষ্ট করতেই এই মিথ্যা প্রচার হচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাঁকে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নোটবন্দির সমালোচনা করেছেন, তা নিয়ে প্রকাশ্যেই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিডিয়াকে কবজা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লিখতে বলা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও যে কিছু এসে যায় না এদিন তা সাফ জানিয়ে রাখলেন। তাঁর দাবি, যদি তৃণমূলকে জেলে পুরতে উদ্যোগ নেয় বিজেপি, তবে বিজেপির লক্ষ নেতাকে জেলে পাঠাবে সাধারণ মানুষই।

 [ হিন্দু বোনের জন্য চিতা সাজালেন মুসলিম ‘ধর্মভাই’ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.