Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Malda TMC Councillor Murder Case

মালদহে তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার আরও ২, এখনও অজানা হত্যাকাণ্ডের মোটিভ

এখনও হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৫, ১২:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৫, ১২:২৪

options
link
মালদহে তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেপ্তার আরও ২, এখনও অজানা হত্যাকাণ্ডের মোটিভ zoom
নিহত তৃণমূল কাউন্সিলর

বাবুল হক, মালদহ: ইংরেজবাজারের কাউন্সিলর খুনে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতরা হল অভিজিৎ ঘোষ এবং অমিত রজক। তারা দুজনেই ইংরেজবাজারের বাসিন্দা। ধৃত অভিজিৎ ঘোড়াপীড়ের ঘোষপাড়়ার বাসিন্দা। অমিত ঝলঝলিয়ার রেল কলোনির বাসিন্দা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কাউন্সিলরকে খুনের মোটিভ কী, দুদিন কেটে গেলেও তা এখনও স্পষ্ট নয়।

গত ২ জানুয়ারি, মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল ওরফে বাবলা সরকার তাঁর নিজের কারখানায় যাচ্ছিলেন। পাইপ লাইন মোড়ে তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন। অভিযোগ, সেই সময় বাইকে করে আসা চার দুষ্কৃতী কাউন্সিলরকে ধাওয়া করে। গাড়ি থেকে নামামাত্রই কাউন্সিলর দৌড়ে তাঁর কারখানার উলটো দিকে একটি দোকানে দৌড়ে যান। বাঁচার চেষ্টা করেন। দুষ্কৃতীরাও ওই দোকানের ভিতরে ঢুকে যায়। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ৪ রাউন্ড গুলি চালায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় কাউন্সিলরের। এই ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

কাউন্সিলরকে কেন খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইংরেজবাজার থানার পুলিশের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তকারী অফিসাররা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে খুন হয়ে থাকতে পারেন বাবলা সরকার। সেই সূত্রেই পুলিশ এগোচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক শত্রুতার বিষয়গুলিও উড়িয়ে দিতে নারাজ তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে জোরাল হচ্ছে বিহার-যোগ তত্ত্ব। পুলিশের অনুমান, বিহার থেকেই মোটা টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে আনা হয়েছিল সুপারি কিলারদের। খুনে অভিযুক্ত বিহারের দুই দুষ্কৃতী-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সেটাই স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই খুনের ঘটনায় দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে একজন ছিল বিহারের বাসিন্দা। একজন ইংরেজবাজারের গাবগাছি যদুপুরের বাসিন্দা। আরও একজনকে পুলিশ হরিশ্চন্দ্রপুর সংলগ্ন বিহার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। সুপারি কিলার তত্ত্বের সঙ্গে বিহার যোগ ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, টানা প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে রেইকি করেছিল দুষ্কৃতীরা। কয়েকদিন ধরেই বাবলা কোথায় যাচ্ছেন, কখন যাচ্ছেন, সেই সব দিকে নজর রাখছিল দুষ্কৃতীরা। তারপরই খুন করা হয় কাউন্সিলরকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.