BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

শ্যামপুরের পর কোচবিহার, এবার জুয়াড়িদের হাতে আক্রান্ত ৫ পুলিশকর্মী

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 8, 2018 5:48 am|    Updated: January 8, 2018 5:49 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাওড়ার শ্যামপুরের পর এবার কোচবিহার। জুয়ার ঠেক ভাঙতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ। দুষ্কৃতীদের বেধড়ক মারে আহত ৫ জন পুলিশ কর্মী। আহতদের মধ্যে ২ জনের আঘাত গুরুতর। তাঁদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে ভরতি। ঘটনায় ৩ জন হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

[জমি দখলকে কেন্দ্র করে ওসির মাথায় শাবলের ঘা, গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত]

কোচবিহারের জেলার গুরুত্বপূর্ণ শহর দিনহাটা। দিনহাটারই নাজিরহাটে জুয়াড়িদের হাতে মার খেল পুলিশ। গত বেশ কয়েকদিন ধরেই দিনহাটার জুয়ার রমরমা কারবারের অভিযোগ উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত নামলেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জুয়ার আসর বসাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নাজিরহাটের কালীতলা মাঠে জুয়ার আসর বসিয়েছিল এক দুষ্কৃতী। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালান নাজিরহাট থানার পুলিশ। কিন্তু, ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই, পুলিশের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। শুরু হয় বেধড়ক মারধর। দুষ্কৃতীদের মারে গুরুতর আহত হয়েছেন  ৫ জন পুলিশকর্মী। তাঁদের হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২ জন পুলিশকর্মীর আঘাত গুরুতর। তাঁদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। দু’জনই ভরতি কোচবিহার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এদিকে, এই ঘটনায় তিনজন হামলাকারীকে আটক করেছে নাজিরহাট থানার পুলিশ। পুলিশকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার।

[বিবাদের জেরে ছেলের সামনেই কুপিয়ে খুন বাবাকে]

এদিকে, উলুবেড়িয়ার শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাসের উপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবর মুন্সিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।  জানা গিয়েছে, ঘটনার পর জলপথে উলুবেড়িয়া থেকে দক্ষিণ ২৪  পরগনার ঢোলাহাটে পালিয়ে গিয়েছিল বাবর। সেখান থেকে তাকে পাকড়াও করে ঢোলাহাট পুলিশ।  অভিযুক্তকে হাওড়া পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।  শুক্রবার দুই পরিবারের মধ্যে জমি বিবাদ মেটাতে গিয়ে আক্রান্ত হন  শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাস। ওসির মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এখন কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ওসি সুমন দাস। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে পরপর পুলিশের উপর হামলার ঘটনা উত্তোরত্তর বাড়তে থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে পুলিশের নিচুতলায়।

[এ রাজ্যে আছে আরও এক গঙ্গাসাগর, পুণ্যস্নানে তৈরি তো?]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement