নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বারুদের স্তূপে বীরভূম। ফের উদ্ধার প্রচুর জিলেটিন স্টিক। পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ওই বিস্ফোরকগুলি কে বা কারা মজুত করল, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
রবিবার সকালে বীরভূমের রামপুরহাটের কাছে রদিপুরের কাছে আচমকাই হানা দেয় পুলিশ। একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। বেশ কিছুক্ষণ পর প্রায় ৬০ বাক্স জিলেটিন স্টিক উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। কে বা কারা পরিত্যক্ত বাড়িতে জিলেটিন স্টিক মজুত করে রেখেছিল, তা এখনও জানা যায়নি। বিপুল পরিমাণ জিলেটিন স্টিক মজুতের নেপথ্যে ছকই বা কী ছিল, তা-ও স্পষ্ট নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
[আরও পড়ুন: ট্রেনের স্টপেজ-সহ একাধিক দাবিতে মুরারইতে বিক্ষোভ, নলহাটিতে দাঁড়িয়ে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস]
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন সকালে আচমকাই নলহাটির বাহাদুরপুরে মনোজ ঘোষের একটি পাথর খাদানে হানা দেয় এনআইএ আধিকারিকরা। দীর্ঘ আট থেকে দশ ঘন্টা সেখানে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, অফিসে সেই সময় মনোজ ঘোষের ম্যানেজার পার্থকুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই খাদানের কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার হয়। এরপর পুনর্নির্বাচনের দিন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এনআইএ সূত্রে খবর, মনোজ ঘোষকে জেরা করে বীরভূমের কুশমোড়ের ইসলাম চৌধুরীর খোঁজ পান তদন্তকারীরা। ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক মজুতের অভিযোগ রয়েছে। কুশমোড় ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি তিনি। শুক্রবার ভোররাতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় NIA। ইসলাম চৌধুরীকে পাইকর থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রামপুরহাট থেকে জিলেটিন স্টিক উদ্ধারে চাঞ্চল্য।
[আরও পড়ুন: চব্বিশের ভোট পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপিতে বদল নয়, তিনিই রাজ্য সভাপতি থাকছেন, দাবি সুকান্তর]
সর্বশেষ খবর
-
ধর্ম বদলে মুসলিম হলেই মিলবে না ওবিসি সংরক্ষণ! সাফ জানাল আদালত
-
দেশের এবার ছুটবে হাইড্রোজেন ট্রেন! হরিয়ানায় সফল পরীক্ষা, কবে শুরু যাত্রী পরিষেবা?
-
অফিসে দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করছেন? হাত দুর্বল লাগে, তালু ঘামে? স্নায়ুর সমস্যা নয় তো!
-
বিরিয়ানিতে বিষ! বনগাঁয় সিল দোকান, খাবারের মান যাচাইয়ে অভিযান খাদ্য দপ্তরের
-
তামান্না খুনে ধৃত বেড়ে ১৯, ট্রানজিন্ট রিমান্ডে আনা হল মিনারুলকে, আরও পাঁচজনের খোঁজে পুলিশ