জ্যোতি চক্রবর্তী, বসিরহাট: শ্মশানে এসে চিতা সাজিয়ে মৃত মহিলাকে দাহ করতে যাচ্ছিল কয়েকজন। দেহ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মৃত মহিলার পরিচয় ও মৃত্যুর কারণের কাগজপত্র দেখতে চাইলে দেহ রেখে পালিয়ে যায় তার পরিজনেরা। খবর পেয়ে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে মিনাখাঁ থানার মালঞ্চ এলাকার চকমতপুরে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহিলার মৃত্যু সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র ছিল না। তাকে বেআইনি ভাবে পোড়াতে এসেছিল স্থানীয় ভাটার লোকেরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মহিলা স্থানীয় ইটভাটায় কাজ করতেন। ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ইটভাটার শ্রমিক ও কর্মচারীরা এক আদিবাসী গৃহবধূর মৃতদেহ নিয়ে শ্মশানে পোড়াতে এসেছিল। কাঠের চিতা সাজানো হয়েছিল। চিতার উপর দেহ তুলে আগুন দেওয়ার অপেক্ষা। সেই সময় মৃতদেহটি দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। কীভাবে মৃত্যু হল, মৃতের কাগজপত্র কোথায় জানতে চান তাঁরা। মৃতদেহের কোনও কাগজপত্র না মেলায় দেহটি পোড়াতে বাধা দেন স্থানীয়রা। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মানুষ এসে ভিড় করে শ্মশানে। ভাটার মালিক ও কর্মচারীদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। এরপরই মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায় ভাটার লোকেরা।
[আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির, মুসলমান প্রতিবেশীর কবরে মাটি দিলেন হিন্দুরা]
প্রত্যক্ষদর্শী দীপক দাস বলেন, ‘মৃত মহিলার স্বামী হিসেবে এক শ্রমিককে সাজিয়ে এনেছিল। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে জানতে চাইলে ভাটার মালিক, স্বামী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি-সহ শ্রমিকেরা পালিয়ে যায়। এর পরেই আমরা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে থানায় খবর দিই।’ ঘটনাস্থলে মিনাখাঁ থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মহিলার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
বাড়িতে অন্ত্যেষ্টির তোড়জোড়, ৫ দিন পর এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে সশরীরে ফিরলেন শেরপা
-
‘ভূতে’ লুটে খাচ্ছে রেশন! দুর্নীতির শিকড় উপড়াতে শুভেন্দু সরকারের স্ক্যানারে খাদ্যসাথী
-
বাংলাদেশিদের ভুয়ো নথির জোগান! দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেল মালিক সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য
-
‘শুধু দেব নয় অনেকেই মন খুলে কথা বলছেন’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিকে ‘রঘু’র সমর্থনে কী বললেন রূপা?
-
রাজস্থানে পাড়ি দিল মালদহের লিচু, আয়ের নতুন পথ খুলতেই মুখে হাসি চাষিদের