Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

ফের আদালতের রায়ে অনিশ্চয়তায় ভোট, কী বলছেন বিরোধীরা?

কমিশনের ভূমিকার সমালোচনায় বিরোধীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৭:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৭:১১

options
link
ফের আদালতের রায়ে অনিশ্চয়তায় ভোট, কী বলছেন বিরোধীরা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিশ বাঁও জলে পঞ্চায়েত ভোট। বহু আইনি জটিলতার পর এতদিন পর্যন্ত অন্তত নিশ্চিত ছিল যে, ১৪ মে হচ্ছে নির্বাচন। কিন্তু মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের সিঙ্গল বেঞ্চের যে রায়, তাতে ফের স্পষ্ট হল অনিশ্চয়তা। এখন ভোটের দিনটি বিচারাধীন। এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

[  ১৪ মে কি আদৌ হবে পঞ্চায়েত ভোট? আদালতের রায়ে ফের অনিশ্চয়তা ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই পরিস্থিতিতে একরকম নৈতিক জয় বলেই মনে করছেন বিরোধীরা। তাঁরা প্রমাণ করতে পেরেছেন যে, কমিশন শক্ত হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারছে না। এ কথা গোপন করেননি বামনেতা তথা আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই কমিশন তিন দিনে ভোট করবে ঠিক করেছিল। কিন্তু তারপর একদিনে ভোট করতে রাজি হয়ে গেল। নিরাপত্তা নিয়ে কী এমন ব্যবস্থা হল যে কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিল? প্রশ্ন তাঁর। মনোনয়ন পর্বের অশান্তির ঘটনার নমুনা টেনে তিনি বলেন, কমিশনের মতো একটা সাংবিধানিক সংস্থা বারবার আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়ছে। আজকের রায়ে তো স্পষ্ট যে কমিশনের ভূমিকায় আদালত সন্তুষ্ট নয়। বিচারব্যবস্থার নিয়মকানুনের জন্য তা ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানো হয়েছ। তাঁর তাই দাবি, কমিশন যে প্রশাসনের কথায় কাজ করছিল তা এই সিদ্ধান্তেই স্পষ্ট হয়েছিল। আদালত ১৪ মে দিনটিকে ভোটের সম্ভাব্য দিন হিসেবে মনে করেছে। কিন্তু কখনও চূড়ান্ত দিন নয়। এই পর্যবেক্ষণের পর বিকাশবাবুর মন্তব্য, যেভাবে চলছিল তাতে এরা সংবিধানকে ধ্বংস করে দিত। আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক, তারপর নির্বাচন হবে। একই কথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষেরও। তাঁর দাবি, এক দফায় ভোট হলেও বিজেপির কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষ যদি সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে, ভোট দিতে যেতেই যদি না পারে, তাহলে আর ভোট করে কী লাভ! প্রশ্ন দিলীপবাবুর। অন্যদিকে তৃণমূলের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নিরাপত্তার বিষয়টিই একমাত্র খতিয়ে দেখবে ডিভিশন বেঞ্চ। তাতে সন্তুষ্ট হলেই নির্বাচন যেমন হচ্চিল তেমন হবে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে আইনভঙ্গের যে দাবি বিরোধীরা করেছিল, তা ধোপে টেকেনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা একজোট হয়ে ভোট বন্ধের চক্রান্ত করছে।

[  নীতি পুলিশের এ শহর নয় চেনা কলকাতা, প্রতিবাদে নেটদুনিয়া ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.