Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

সৌজন্যের মোড়কে রাজনীতি? সমাবর্তন মঞ্চেও সরকারি প্রকল্পের গুণ গাইলেন প্রধানমন্ত্রী

উত্তরীয় পরিয়ে মোদিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:৩৬

options
link
সৌজন্যের মোড়কে রাজনীতি? সমাবর্তন মঞ্চেও সরকারি প্রকল্পের গুণ গাইলেন প্রধানমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতিতে তাঁরা চরম প্রতিপক্ষ। বলতে গেলে দুই মেরুতে অবস্থান। একজন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরজন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু আদর্শগতভাবে যতই বিভেদ থাক সামনাসামনি দেখা হল পারস্পারিক সৌজন্য দেখানোটাই দস্তুর। শুরুটা তেমনই করেছিলেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার নামার আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন সংরক্ষতি অঞ্চলে। মোদি বীরভূমের মাটিতে পা রাখতেই উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার সেই সম্ভাষণ সাদরে গ্রহণ করেছিলেন মোদিও।

 

[‘আমার মতো মার্কশিটের ছবি পোস্ট করুন’, মোদিকে চ্যালেঞ্জ কংগ্রেস নেতার]

কিন্তু তাল কাটল সমাবর্তন বক্তৃতায়। বিশ্বভারতীর আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে বক্তব্য শুরু করলেন তাতে হয়তো খুব একটা খুশি হবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘বিশ্বভারতীর আচার্য হিসেবে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, এখানে আসার পথে আমাকে ছাত্ররা বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উপযুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থাও নেই। আচার্য হিসেবে এর দায় আমার উপরেই বর্তায়।’ ওয়াকিবহাল মহল অবশ্য বলছে, প্রধানমন্ত্রী উপর উপর যতই বিনয় দেখানোর চেষ্টা করুন, বক্তব্যের শুরুতে আসলে তিনি এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবস্থাপনাকে খোঁচা দিতে চাইলেন।

[বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনে স্মৃতিকাতর হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর নামে ভবন গড়ার প্রস্তাব মমতার]

এখানেই শেষ নয়, এরপরও অরাজনৈতিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য রাখলেন তাঁর পরতে পরতে রাজনীতিরই গন্ধ পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। রবীন্দ্রনাথের বিশ্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরার ফাকেই নমো একে একে বর্ণনা করে ফেললেন তাঁর আমলে চালু হওয়া সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল। প্রধানমন্ত্রী উজ্বলা যোজনা থেকে শুরু করে ১৮ হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সবই উঠে এল তাঁর বক্তৃতায়। বেশ তাৎপর্যপূর্ণভাবে তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এল ২০২২-র কথা। সমাবর্তনে হাজির ছাত্রছাত্রীদের সমবেত মোদি মোদি স্লোগানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলে মনে হতেই পারে এটা কোনও রাজনৈতিক প্রচারের মঞ্চ- দেখুন ভিডিও

[‘মন্দিরে আসার মতোই অনুভূতি হচ্ছে’, বিশ্বভারতীতে বাংলায় কথা বলে মন জয় মোদির]

রাজনীতির যে এই শুরু তা কিন্তু নয়। বৃহস্পতিবারই দেশিকোত্তম প্রদান বাতিল হওয়া নিয়ে নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধেছিলেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দেশিকোত্তম না দেওয়ার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ‘ বিশ্বভারতী রাজনীতির মঞ্চ নয়, যাদের দেশিকোত্তম পাওয়ার কথা তারা সকলেই রাজনীতির উর্ধ্বে।’ সমাবর্তন রাজনীতির সূচনাটা হয়ত সেখানেই হয়েছিল, মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.