Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট যুবকের

ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় ভাইরাল ছবিকে ঘিরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৮, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৮, ২১:০৭

options
link
মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট যুবকের zoom

শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে নেটদুনিয়ায় ছেড়ে দিল ছেলে৷ ঘটনাটি ঘাটাল মহকুমার দাসপুরের ধরমা গ্রামে৷ সেই ছবি এখন ভাইরাল৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ধরমা গ্রামের গীতা জানাকে (৬০) সাপে কামড়ায়৷ আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে গীতাদেবী মারা যান৷ গীতাদেবীর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে৷ ছোট ছেলে গণেশ সোনার কাজে ভিনরাজ্যে থাকেন৷ হঠাৎ‍ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে গণেশবাবু কানায় ভেঙে পড়েন৷ দ্রুত বাড়ি চলে আসেন৷ গীতাদেবীর অন্যান্য ছেলে-মেয়েরাও মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে চলে আসেন৷

 

Advertisement

dead mother

 

[বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হনুমানের শুশ্রূষা করে মানবিকতার নজির গৃহবধূর]

গণেশবাবু যখন বাড়ি আসেন, তখন তার আগেই গীতাদেবীর মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়৷ বাড়ি পৌঁছতে না পৌঁছতেই ছুটে যান শ্মশানে৷ গণেশবাবুর আক্ষেপ মায়ের সঙ্গে তাঁর কোনও ছবিই নেই৷ তুলব তুলব করে মায়ের সঙ্গে ছবি তোলাই হয়নি তাঁর৷ অথচ মাকে কী নাই ভালবাসতেন তিনি৷ তাই চিতায় তোলার আগে মায়ের মৃতদেহের পাশে বসে টপাটপ সেলফি তুলে নিলেন গণেশবাবু৷ আর সেই ছবি তিনি ছেড়ে দিলেন ফেসবুকে৷ অনেকেই তা নিয়ে মন্তব্য করতে থাকেন৷ ওঠে সমালোচনার ঝড়।

[রথযাত্রার আগে জনসংযোগ, লিফলেট হাতে বাড়ি বাড়ি গেরুয়া শিবির]

কিন্তু, কী বলছেন গণেশবাবু? তিনি বলেন, “আমি বাইরে থাকি৷ মা আমাকে খুব ভালবাসতেন৷ কিন্তু, মায়ের সঙ্গে আমার কোনও ছবিই নেই৷ তুলব তুলব করে ছবি তোলাই হয়নি৷ মা হঠাৎ‍ চলে গেলেন৷ তাই মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলে নিলাম৷ এটাই আমার স্মৃতি হয়ে থাকবে৷” কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন পোস্ট করলেন ওই ছবি? গণেশবাবু বলেন, “অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই, এটা মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিছুই নয়৷ কে কী মন্তব্য করল তা আমার কিছু যায় আসে না৷” গণেশবাবুর আরও যুক্তি, ‘‘যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ যদি বাড়াবাড়ি করে, তাহলে তাঁকে আনফ্রেন্ড করে দেব৷ প্রয়োজনে ব্লকও করে দিতে পারি৷ এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত৷ এখানে কেউ হস্তক্ষেপ করুন, সেটা আমি কোনওদিন মেনে নেব না৷’’

ছবি: সুকান্ত চক্রবর্তী৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.