পালাবদলের পর তার প্রভাব এবার দপ্তরগুলির অন্দরেও পড়তে শুরু করেছে। বীরভূম জেলা পরিষদের ভিতরে একাধিক পোস্টারে নির্দিষ্ট কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তথাকথিত ‘থ্রেট কালচার’ বা ভয় দেখানোর রাজনীতি বন্ধ করার দাবি তোলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি পোস্টারে বড় অক্ষরে লেখা হয়েছে-‘ভয় আউট, ভরসা ইন’।
শনিবার জেলা পরিষদের কর্মীরা অফিসে এসে প্রথম পোস্টারগুলি দেখতে পান। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলামের কক্ষের বাইরে একটি পোস্টার সাঁটানো ছিল। সেখানে কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পোস্টারে যাদের নাম রয়েছে সেই কাদির, সাদ্দাম, পলাশ, জসিম, প্রভাত ও বশিরুলরা পেশায় ঠিকাদার হলেও দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের কর্মী ও আধিকারিকদের উপর প্রভাব বিস্তার করতেন এবং ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করতেন। পোস্টারে সেই সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:

বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, “পোস্টার কারা দিয়েছে জানি না। তবে সেখানে যে বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে, তা বহুদিনের বাস্তবতা। ভয় দেখিয়ে প্রশাসন চালানোর সংস্কৃতি গণতন্ত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। সাধারণ কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ- সকলের জন্য নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।” অন্যদিকে সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, “আমি পোস্টার দেখিনি, এই পোস্টার কারা লাগিয়েছে, কী বক্তব্য- কিছুই না জেনে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।”
সর্বশেষ খবর
-
‘আপনাদের সঙ্গে ব্যবসা করব’, কথার ছলে পৌনে দু’লাখ টাকার চুনি-পান্না হাতিয়ে উধাও ‘বান্টি-বাবলি’
-
অনেক বড় হল ‘ছেলে’! মহা ধূমধামে পোষ্য ছাগলের ২০তম জন্মদিন উদযাপন গৃহস্থের
-
রাতের কারখানায় দুর্ঘটনা, জামুড়িয়ায় ফার্নেস ফেটে জখম অন্তত ৩, এলাকায় আতঙ্ক
-
এবার পানিহাটি পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ? বোর্ড মিটিং ভেস্তে যাওয়ায় বাড়ল জল্পনা
-
‘দখলমুক্ত হোক নাট্য অঙ্গন’, অ্যাকাডেমিতে গেরুয়া বিতর্কের পর শমীকের দরবারে চন্দন সেনরা