Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Baruipur

বরাবরই বিকৃতকাম প্রভাস! দীর্ঘদিন ধরেই নজরে বারুইপুরের নির্যাতিতা, ধৃতদের জেরায় নয়া তথ্য

বাকি ধৃতদেরও নিয়ে যাওয়া হবে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য, জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১২:৫২

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১২:৫২

options
link
বরাবরই বিকৃতকাম প্রভাস! দীর্ঘদিন ধরেই নজরে বারুইপুরের নির্যাতিতা, ধৃতদের জেরায় নয়া তথ্য zoom
বরাবরই বিকৃতকাম প্রভাস! দীর্ঘদিন ধরেই নজরে বারুইপুরের নির্যাতিতা, ধৃতদের জেরায় নয়া তথ্য

এনকাউন্টরের পরই পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছিল প্রভাসই বারুইপুর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। তার মৃত্যুর পর বাকি তিন ধৃতকে মুখোমুখি জেরায় প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, বরাবরই নাকি বিকৃতকাম প্রভাস। এলাকার বহু মহিলাকে উত্যক্ত করেছে সে। বারুইপুরের নির্যাতিতার উপর নাকি দীর্ঘদিন ধরেই নজর ছিল তার। সেই কারণেই ওই ছাত্রীর সঙ্গে সুকৌশলে বন্ধুত্বও পাতিয়েছিল প্রভাস। যাতে নাবালিকাকে অকুস্থলে নিয়ে যেতে সুবিধা হয়। 

প্রভাসের মৃত্যুর পর তার মা  ও স্ত্রী জানিয়েছিলেন, বরাবরই নেশা করত সে। অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছিলেন স্ত্রী। বলেছিলেন, “ও বরাবরই নোংরা মানসিকতার। তাই একাজ করেনি তা জোর গলায় বলতে পারব না।” প্রতিবেশীরাও প্রভাসের বিরুদ্ধেই মুখ খুলেছিলেন। জেরায় একই দাবি করেছে বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনে ধৃত কবীর মোল্লা, দিবাকর সর্দার ও আনন্দ সর্দার। পুলিশ দাবি জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, ঘটনার মূল প্রভাসই। সেই নাকি যাবতীয় পরিকল্পনা করেছিল। একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় সে নজরে রেখেছিল নির্যাতিতাকে। বন্ধুত্ব পাতিয়ে তার আস্থা অর্জনও করেছিল। এখানে একটা প্রশ্ন উঠছে তা হল, জেরার যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে প্রভাসের মুখে শোনা যাচ্ছে জনৈক রাজার নাম। কে এই রাজা? প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ধৃতদেরই কারও ডাকনাম হতে পারে রাজা। তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার জন্যই ওই নাম ব্যবহার করেছিল প্রভাস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা যাচ্ছে, নাবালিকাকে নিয়ে আসা যাওয়া, অত্যাচার, দেহ লোপাটের পরিকল্পনা এবং কীভাবে পুলিশের হাত থেকে বাঁচা যাবে, তার ‘নীলনকশা’ সুচারুভাবেই করেছিল প্রভাস। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। শোনা যাচ্ছে, প্রভাস কোনওদিনই সে অর্থে কোনও কাজ করত না। দিনভর ডুবে থাকত নেশায়। স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনাও বিশেষ ছিল না। কারণ তাঁর চরিত্র। এলাকার বহু মহিলার দিকে কুদৃষ্টি ছিল তার। উল্লেখ্য, পুলিশ জানিয়েছে, পরবর্তীতে বাকি ধৃতদেরও নিয়ে যাওয়া হবে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.