Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Raiganj

সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতানো! রায়গঞ্জে গ্রেপ্তার অধ্যাপক

এদিন সকালে ধৃতকে ইটাহার থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৫, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৫, ১৬:১৫

options
link
সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতানো! রায়গঞ্জে গ্রেপ্তার অধ্যাপক zoom

শংকরকুমার ঘোষ, রায়গঞ্জ: সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় দেড় কোটি টাকা তুলেছিলেন এক অধ্যাপক। পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছিলেন যুবক-যুবতীরা। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার হল অভিযুক্ত। ধৃতের নাম জোসেফ সরেন। ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের ঘটনা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে ধৃতকে ইটাহার থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এদিন রায়গঞ্জ জেলা আদালতে অভিযুক্ত একটি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন। তখনই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জোসেফ সরেন হুগলির খানাকুলের রাজা রামমোহন কলেজের অধ্যাপক বলে জানা গিয়েছে। ধৃত ব্যক্তির বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের দানগ্রামে। আগে তিনি উত্তর দিনাজপুরের কোচরা হাইস্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

Advertisement

সেসময় থেকেই তিনি চাকরি দেওয়ার নাম করে বাজার থেকে টাকা তুলতেন বলে অভিযোগ। ইটাহার, রায়গঞ্জের বিভিন্ন যুবক, যুবতীর থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তুললেন। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রী, নেতা, উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পরিচয় আছে। টাকা দিলে প্রাথমিক, হাই স্কুল থেকে বিভিন্ন সরকারি জায়গায় চাকরি পাইয়ে দেওয়া হবে। সেই কথা বলে প্রত্যেকের থেকে প্রায় ২৬-২৭ লক্ষ টাকা করে তোলা হয়েছিল। বাজার থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। টাকা দিলেও চাকরি পাননি যুবক-যুবতীরা। ১৩ জন থানায় অভিযোগও দায়ের করেছিলেন।

কয়েক মাস আগে তিনি কয়েকজনকে টাকা ফেরতের নামে ব্যাঙ্কের চেক দিয়েছিলেন। সেই চেকও বাউন্স করে। সেই ঘটনায় চারজন ফের থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই চেক বাউন্স মামলায় সোমবার রায়গঞ্জ আদালতে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। তখনই পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই অধ্যাপক টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁকে আরও জেরা করার জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান ইটাহার থানার আইসি সুকুমার ঘোষ। অন্য কোনও জায়গা থেকেও কি তিনি একইভাবে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তুলেছেন? সেসব বিষয় খতিয়ে দেখয়া হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.