Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Diamond Harbour

জনসংযোগে জোর, অভিষেকের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবারে শুরু ‘চা-এর চুমুকে উন্নয়নের গল্প’

চায়ের আসরে রাখা হয়েছে অভিযোগের বাক্সও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ০০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ০০:৫৩

options
link
জনসংযোগে জোর, অভিষেকের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবারে শুরু ‘চা-এর চুমুকে উন্নয়নের গল্প’ zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। বিভিন্ন জায়গায় জনসংযোগ কর্মসূচিতেও নামতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। এবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের আয়োজনে রবিবার থেকে শুরু হল ‘জনসংযোগ যাত্রা’। পঞ্চায়েত ও পুরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক এই ‘জনসংযোগ যাত্রা’র অঙ্গ হিসেবে রয়েছে ‘চা-এর চুমুকে উন্নয়নের গল্প’ কর্মসূচি।

কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে থাকছে এসআইআর আতঙ্ক দূর করা, এলাকার সমস্যা ও সমাধান এবং এলাকায় ইতিমধ্যেই হওয়া নানা উন্নয়নের গল্পও। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার দু’টি পঞ্চায়েত সমিতির ১৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৪৮টি ও ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের দু’টি করে ওয়ার্ড নিয়ে মোট আটটি অর্থাৎ মোট ৫৬টি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার সেই কর্মসূচিরই সূচনা হল ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির নুরপুর পঞ্চায়েতের দেওয়ানতলায়। আগামী প্রায় দু’মাস ধরে পঞ্চায়েতগুলি ও পুরসভার ওয়ার্ডগুলির পাড়ায় পাড়ায়, রাস্তার পাশে, মন্দির প্রাঙ্গণ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান বা ক্লাব প্রাঙ্গণ, বাজারের কোনও পরিচিত চায়ের দোকান, পার্ক, বাস, অটো বা টোটো স্ট্যান্ডে চলবে চায়ের চুমুকে এই উন্নয়নের গল্প।

Advertisement

সাধারণ মানুষের সঙ্গে চা খেতে খেতে তৃণমূল নেতৃত্বের আলোচনায় এদিন উঠে আসে এসআইআর আতঙ্ক, অসুস্থদের চিকিৎসা পরিষেবা ছাড়াও সাধারণ মানুষের নানান অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা। এসআইআর আতঙ্কগ্রস্ত সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তার বার্তা দেওয়া হয়। একজন প্রকৃত ভোটারের নামও ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না বলে মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। আগামী ডিসেম্বরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ফের ‘সেবাশ্রয়’ শিবির শুরুর আগাম বার্তাও দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের নানান অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনে নানা পরামর্শ এবং সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। এছাড়াও কর্মসূচির উদ্দেশ্য হিসেবে পুরনো দিনের কোনও তৃণমূল নেতা বা কর্মীর অবসরে বা অসুস্থতায় তাঁদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সরাসরি সাক্ষাত, পুরনো নেতা ও কর্মীদের নতুন করে সক্রিয় করে তোলার কথাও আলোচনায় উঠে আসে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’তেও তরুণ সমাজকে এদিনের এই অনুষ্ঠানে আহ্বান জানানো হয়েছে।

চায়ের আসরে রাখা হয়েছে অভিযোগের বাক্সও। যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাঁদের লিখিত অভিযোগ জানিয়ে ওই বাক্সে ফেলতে পারেন। এছাড়াও প্রয়োজনে নেতৃত্বের সঙ্গে যে কোনও সময় যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে ফোন নম্বর এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও। এদিন অনুষ্ঠানের সূচনায় উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ ছাড়াও বিধায়ক পান্নালাল হালদার, ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরুময় গায়েন এবং ডায়মন্ড হারবার-যাদবপুর জেলার মহিলা সংগঠনের সভানেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস ছাড়াও অন্যান্য নেতৃত্ব। শামিম আহমেদ বলেন, “সাংসদের নির্দেশেই সমস্ত আয়োজন করা হয়েছে। এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা ও সেসবের দ্রুত সমাধান করতেই এমন আয়োজন। চায়ের আসরে এদিন উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রভাবশালী বহু ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা, প্রবীণ ব্যক্তি এবং বুথস্তরের অসংখ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.