Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিপদের সময়ে মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে পেয়ে কৃতজ্ঞ শহিদ বাবলু সাঁতরার পরিবার

‘দাদার শূন্যতা পূরণ হবে না’, বললেন নিহতের ভাই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯, ১৬:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯, ১৬:৩২

options
link
বিপদের সময়ে মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে পেয়ে কৃতজ্ঞ শহিদ বাবলু সাঁতরার পরিবার zoom

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছেন বাড়ির বড় ছেলে। শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি পরিবারের লোকেরা। রাজ্য সরকারের তরফে পাঁচ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা শুনে আবেগ আর ধরে রাখতে পারলেন না শহিদ বাবলু সাঁতরার ভাই কল্যাণ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

[পাড়ার ক্লাবে বান্ধবীদের ‘শ্লীলতাহানি’, প্রতিবাদ করে খুন যুবক]

Advertisement

ভালবাসার দিনেই রক্ত ঝরেছে কাশ্মীরে। সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় শহিদ ৪৪ জন জওয়ান। গত বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের পুলওয়ামায় টহলদারিতে বেরিয়েছিল সিআরপিএফের বেশ কয়েকটি কনভয়ে। কনভয়ে ছিলেন ২৫০০ জন জওয়ান। অবন্তীপোরায় জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়েতে আইইডি বোঝাই গাড়ি নিয়ে সেনা কনভয়ে ঢুকে পড়ে এক জঙ্গি। সেনাবাহিনীর গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। সিআরপিএফের অভিশপ্ত সেই কনভয়ে ছিলেন হাওড়ার বাউরিয়ার বাবলু সাঁতরাও। তিনিও শহিদ হয়েছেন।

বাউরিয়ার চককাশীর রাজবংশী পাড়ায় বাড়ি সিআরপিএফ জওয়ান বাবলু সাঁতরার। স্ত্রী মিতা বেসরকারি নার্সারি স্কুলের শিক্ষিকা, ভাই কল্যাণ চাকরি করেন স্থানীয় একটি জুটমিলে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, সিআরপিএফের চাকরি পাওয়ার পর সংসারের হাল ধরেছিলেন বাবলুই। দুই বোনের বিয়েও দিয়েছিলেন। পুলওয়ামার জঙ্গি হামলায় ওই সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকেরা। নিহত জওয়ানের ভাই কল্যাণ সাঁতরা জানিয়েছেন, দাদার মৃত্যুর পর থেকে বাড়িতে টিভি পর্যন্ত চলছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রী যে শহিদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা ও একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তা জানতে পারেননি তাঁরা। এমনকী, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রশাসনের তরফেও কিছু জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণার খবর পেয়ে প্রথমে কিছুটা বাকরুদ্ধ হয়ে যান কল্যাণবাবু। নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন, বিপদের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহমর্মিতায় তিনি কৃতজ্ঞ। তবে পরিবারে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কোনওদিনই পূরণ হবে না। প্রশাসনের কাছে শহিদের ভাইয়ের আবেদন, আগামী দিনে যাতে আর কোনও পরিবারে এমন বিপর্যয় নেমে না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হোক।  

[ছেলের মৃত্যুর তদন্তের দাবি, মায়ের অভিযোগে কবর থেকে তোলা হল দেহ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.