BREAKING NEWS

১৪ মাঘ  ১৪২৯  রবিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ 

READ IN APP

Advertisement

দাবদাহ থেকে বাঁচতে পুরুলিয়ায় তৃণমূল প্রার্থীর টোটকা শুধুই মিষ্টি পান

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: April 21, 2018 8:09 pm|    Updated: April 21, 2018 8:09 pm

Purulia TMC candidates vote campaign

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ভোটের দিনক্ষণ এখনও জানাতে পারেনি কমিশন৷ মামলার গেরোয় আপাতত থমকে নির্বাচন প্রক্রিয়া৷ তারপর প্রকৃতির খামখেয়ালি৷ মাঝেমধ্যে কালবৈশাখী হলে কী হবে? রুখাশুখা পুরুলিয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যে এখন চল্লিশ ছুইছুঁই৷ তা বলে কি ভোটের বাজারে প্রার্থীকে তো আর ঘরবন্দি হয়ে থাকলে চলে না! তাই দুপুরটুকু বাদ দিয়ে সকাল-বিকেল এমনকি সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে প্রচার৷

গরমে হাঁসফাস করলেও প্রচারে খামতি নেই প্রার্থীদের৷ তাই এই দাবদাহে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের কুড়ি নম্বর আসনে তৃণমূল প্রার্থী হেমন্ত রজকের গরম থেকে বাঁচার টোটকা সারাদিনে ২৪টা মিষ্টি পান৷ প্রচারে এই তীব্র গরমে কোথাও খাবার এমনকি জল না পেলেও গাড়িতে থাকা মিষ্টি পানই তাঁর তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়৷ পায় না খিদেও৷ ওই ২৪টা মিষ্টি পান নিয়েই সারাদিন কাটিয়ে দিতে পারেন তিনি৷ গালের ডান দিকে পান রেখে তিনি নিজেই জানালেন, এই মিষ্টি পান খাবার এমনকি পানীয় জলের তৃষ্ণাও মিটিয়ে দেয়৷ পান থাকলে আর কিছু লাগবে না৷ তাই ওই পান মুখে দিয়েই সারাদিনে একের পর এক গ্রামে দেওয়াল লেখা থেকে কর্মী বৈঠক এমনকি বাড়ি-বাড়ি প্রচারও করে দিচ্ছেন৷ এই গরমে মিষ্টি পানই তাঁর ভোট প্রচারের এনার্জি৷

তবে এই ভোট বা গরম বলে নয়৷ বরাবরই মিষ্টি পান খেতে ভালবাসেন এই তৃণমূল নেতা৷ এমনকি খাওয়াতেও৷ তাই দলের কর্মীদের রসিকতা করে বলেন, ‘মুখ মিঠা করলে ভাই৷’ পান মুখে একগাল হাসিতে ভোট প্রচারে যেন সবার হৃদয় জিতে নিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার পাওয়া তৃণমূলের এই শিক্ষক প্রার্থী৷ এই আসনটি এবার তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় এই শিক্ষককে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া করিয়ে দল তাঁকে প্রার্থী করে৷ তাছাড়া এই আসনে লড়াই বেশ কঠিন৷ একদিকে দলের গোষ্ঠী কলহ, অন্যদিকে এই এলাকায় সেভাবে কাজ না হওয়ায় ক্ষোভ৷ সেই সঙ্গে এই এলাকায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত৷ তাই এই আসনে দল এই শিক্ষক প্রার্থীকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছেন৷ পুকুরগড়িয়া বিভূতিলাল বিদ্যাপীঠের এই শিক্ষক তাই এখন ভীষণ ব্যস্ত৷ ভোর চারটেয় ঘুম থেকে উঠে পাঁচটার মধ্যে রেডি হয়ে কোনদিন চা-রুটি বা কোনদিন রুটি-গুড় খেয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন৷  গাড়িতে থাকছে তুলি-রঙ, ঝান্ডা৷ সেই সঙ্গে কর্মী সঞ্জয় মাহাতোর কাছে বারো জোড়া মিষ্টি পান৷ তাঁর কথায়, ‘‘দাদার পান না হলে চলবে না৷ তাই এটা আমি সকালেই রেডি করে রাখি৷’’ হেমন্তবাবু বরাবর ভোরে উঠলেও ভোটের জন্য তাঁর রুটিন তিনি খানিকটা বদলে ফেলেছেন৷ তবে, ২৪টি মিষ্টি পানটা দৈনন্দিন রুটিন থেকে বাদ যায়নি৷ মুখে পান রেখে চক্কর কাটছেন তাঁর গোটা এলাকা৷

ছবি- অমিত সিং দেও

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে