Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ভুল চিকিৎসায় বধূমৃত্যুর অভিযোগ, প্রতিশোধে হাতুড়ে ডাক্তারকে খুন

অভিযুক্ত পুলিশের জালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৭, ০৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৭, ০৫:৪৫

options
link
ভুল চিকিৎসায় বধূমৃত্যুর অভিযোগ, প্রতিশোধে হাতুড়ে ডাক্তারকে খুন zoom

বাবুল হক, মালদহ: ভুল চিকিৎসায় বধূমৃত্যুর অভিযোগ। প্রতিশোধ নিতে হাতুড়ে চিকিৎসককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ মালদার কালিয়াচকে। মৃতের নাম ওবাইদুল্লা শেখ। এক অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অপরজন পলাতক। ঘটনার পর অভিযুক্তর বাড়িতে জনরোষ আছড়ে পড়ে। বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

[রাজ্য জুড়ে তুমুল বৃষ্টিপাত, একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি]

কালিয়াচকের মসিমপুর গ্রামে চেম্বার ছিল ওবাইদুল্লা শেখের। হাতুড়ে ডাক্তার হলেও তাঁর হাতযশ খারাপ ছিল না। মাস দুয়েক আগে তাজমিরা বিবি নামে এক রোগী ওবাইদুল্লার কাছে চিকিৎসা করতে যান। ওই বধূর একাধিক রোগ ছিল। তাজমিরার ছেলে বাবর শেখকে হাতুড়ে ডাক্তার জানিয়েছিলেন তাঁর মায়ের অবস্থা ভাল নয়। দ্রুত ওই বধূকে মালদা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়ার তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি রোগীকে স্যালাইন দিতে বলেছিলেন। এই ঘটনার কয়েক দিন পর তাজমিরা মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর খবরে পেয়ে বাড়ি ফেরেন আজিমুদ্দিন শেখ। তাঁর মনে হয়েছিল ডাক্তারের জন্য স্ত্রীর ওই অবস্থা। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওবাইদুল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাবা ও ছেলে মিলে ছক কষেন। শনিবার সন্ধায় আজিমুদ্দিন ও বাবর ওই হাতুড়ে ডাক্তারের চেম্বারে চড়াও হন। ওবাইদুল্লাকে টেনে হিঁচড়ে চেম্বার থেকে বের করা হয়। অভিযোগ, বাবা ও ছেলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে ওবাইদুল্লাকে কোপাতে থাকেন। ঘটনাস্থলে ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। অপারেশন দুজন গা ঢাকা দেয়। এখবর জানাজানি হতে লোকজন জানতে পেরে ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দারা আজিমুদ্দিনের বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দমকল গেলেও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়নি।

Advertisement

[রাষ্ট্রপতি হয়ে প্রথমেই লাদাখে রামনাথ কোবিন্দ? রাজধানীতে জল্পনা]

গভীর রাতে পুলিশ অন্যতম অভিযুক্ত আজিমুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তার ছেলের খোঁজ চলছে। কালিয়াচকের মসিমপুরের বাসিন্দাদের বক্তব্য অবস্থা খারাপ হতে থাকায় রোগীকে মালদা মেডিকালে পাঠাতে বলেছিলেন ওবাইদুল্লা। তাঁর কথা শোনেনি আজিমুদ্দিনের পরিবার। এমনকী বাড়িতে রোগীকে কোনও চিকিৎসাও করানো হয়নি। তার জেরেই ওই মহিলা মারা যান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.