Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
R G Kar

নতুন সম্পর্কে জড়ানোয় প্রেমিককে বিয়েতে আপত্তি! আর জি করের ছাত্রী মৃত্যুর নেপথ্যে ত্রিকোণ প্রেম?

ধৃতের দাবি, একসঙ্গে ১৮টি প্যারাসিটামল জাতীয় ট্যাবলেট খেয়ে ফেলেছিলেন অনিন্দিতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১২:৩৫

options
link
নতুন সম্পর্কে জড়ানোয় প্রেমিককে বিয়েতে আপত্তি! আর জি করের ছাত্রী মৃত্যুর নেপথ্যে ত্রিকোণ প্রেম? zoom

বাবুল হক, মালদহ: বালুরঘাটের বাসিন্দা তথা আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী অনিন্দিতা সোরেনের মৃত্যুতে এবার প্রকাশ্যে ত্রিকোণ প্রেমের তত্ত্ব। পুলিশি জেরায় মৃতার প্রেমিক উজ্জ্বল সোরেনের দাবি, বাঁকুড়ার এক ডাক্তারি পড়ুয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অনিন্দিতার। তা থেকেই সমস্যার শুরু।

মালদহ কাণ্ডের রহস্যভেদে গত ২ দিন ধরে মৃতার প্রেমিক উজ্জ্বল সোরেনকে টানা জেরা করেছে পুলিশ। অনিন্দিতার সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেও গর্ভপাতের পর কেন তিনি রেজিস্ট্রি করলেন না? এমন প্রশ্নের উত্তরেই মৃতার সঙ্গে অন্য যুবকের সম্পর্ক থাকার কথা জানায় উজ্জ্বল। ধৃতের দাবি, ত্রিকোণ প্রেমের কারণে রেজিস্ট্রি করতে চাননি অনিন্দিতাই। পাশাপাশি ধৃতের আরও দাবি, হোটেলে তাঁর সামনে বসেই একসঙ্গে ১৮টি প্যারাসিটামল জাতীয় ট্যাবলেট খেয়ে ফেলেন অনিন্দিতা। বাধা দিতে গেলে দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তিও হয়।

Advertisement

এদিকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীর মৃত্যুরহস্যের তদন্ত চলার মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্য পুলিশের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইংরেজবাজারের থানার আইসি সঞ্জয় ঘোষকে ‘ক্লোজ’ করা হয়। রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি-র (আইনশৃঙ্খলা) সদর দপ্তর থেকে আইসি সঞ্জয় ঘোষের ডিউটি ‘ক্লোজ’ করার ওই বিজ্ঞপ্তি মালদহের পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ইংরেজবাজারের আইসিকে কলকাতার ভবানী ভবনে রিজার্ভে থাকতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশ ঘিরে জেলার পুলিশ মহলে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ডাক্তারি ছাত্রীর মৃত্যুর তদন্তের সঙ্গে বিষয়টির যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে মন্তব্যে নারাজ জেলা পুলিশের কর্তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.