Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬
Raidighi

শ্রমিকের কাজ করতে ছিলেন বাইরে, ফেরার পর বাড়ির অদূরে উদ্ধার যুবকের গলাকাটা দেহ!

প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, খুনই হয়েছেন ওই ব্যক্তি। তবে কে বা কারা এর পিছনে থাকতে পারে, তা এখনও অজানা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৪, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৪, ১৫:০৬

options
link
শ্রমিকের কাজ করতে ছিলেন বাইরে, ফেরার পর বাড়ির অদূরে উদ্ধার যুবকের গলাকাটা দেহ! zoom
প্রতীকী ছবি

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: সাতসকালে প্রকাশ্য রাস্তায় যুবকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে(Raidighi)। সোমবার ভোরে সিংহের চক বকুলতলা এলাকায়, বাড়ির অদূরে তাঁর দেহটি দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সে বিষয়ে এখনও অন্ধকারে পুলিশ। রায়দিঘি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যরাও কোনও অনুমান করতে পারছেন না। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, খুন হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস তিনেক আগে শ্রমিকের কাজ করার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন দিলীপ নাইয়া নামে ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি বাড়ি ফিরেছিলেন। আর সেটাই কাল হল! রবিবার রাতে বাড়ির লোকজন খবর পান, বাড়ি থেকে কিছু দূরে দিলীপের গলাকাটা দেহ পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির লোক বেরিয়ে পড়েন। সঙ্গে প্রতিবেশীরাও। খবর যায় রায়দিঘি থানায়। এর পর ভোরের দিকে সিংহের চক বকুলতলা এলাকায় তাঁর দেহটি উদ্ধার হয়। রায়দিঘি থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ তুলে নিয়ে পাঠিয়ে দেয় ময়নাতদন্তের জন্য। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ছেলেকে হারিয়ে অসহায় মৃত দিলীপ নাইয়ার পরিবার। নিজস্ব ছবি।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, দিলীপকে খুন করা হয়েছে। তবে তার কারণ এখনও অস্পষ্ট। পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে তেমন আলোকপাত করতে পারেননি। বাড়ির ছেলেকে কে বা কারা খুন করল, সে সম্পর্কে ধারণা নেই তাঁদের। তবে পুলিশ সন্দেহের আওতা থেকে বাদ দিচ্ছে না কিছুই। শ্রমিকের কাজের জন্য কোথায় গিয়েছিলেন তিনি, সেখানে কারও সঙ্গে কোনও শত্রুতা হয়েছিল কি না অথবা এখানে কারও সঙ্গে তিক্ত সম্পর্কের জেরেই এমন ঘটনা কি না, সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আচমকা বাড়ির ছেলের এই পরিণতি পরিবারের কাছে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.