Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

চার বছর পর দেবীপক্ষে বাড়ি ফিরল হারানো ছেলে

খুশি পরিবার৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১৪:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১৪:৪৫

options
link
চার বছর পর দেবীপক্ষে বাড়ি ফিরল হারানো ছেলে zoom

শঙ্কর রায়, রায়গঞ্জ:  দেবীপক্ষে ছেলেকে ফিরে পেল মা-বাবা। হারানো  পুত্রসন্তানকে দীর্ঘ চার বছর পর ফিরে পেয়ে আহ্লাদে আটখানা চা বাগান শ্রমিক পরিবার৷

জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের ৪ জুলাই আচমকা দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াংয়ের বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায় ১২ বছরের মূক-বধির কিশোর কৃষ্ণ বল। একটি বাসের পিছনে উঠে সে পৌঁছে যায় শিলিগুড়ি। সেখান থেকে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি থানার টুঙ্গিদিঘি বাসস্ট্যান্ডে। ইতস্তত ঘোরাফেরা করতে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। কৃষ্ণের কাছ থেকে বাড়ির ঠিকানা জানারও চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা. কিন্তু, ওই কিশোর যে কথাই বলতে পারে না!  খবর যায় পুলিশে।  ওই প্রতিবন্ধী কিশোরকে উদ্ধার করে কর্ণজোড়ার সুর্যোদয়ের মূক-বধির হোমে শিশুকল্যাণ সমিতির হাতে তুলে দেয় করণদিঘি থানার পুলিশ। এতদিন ধরে ওই সরকারি হোমেই ছিল কৃষ্ণ।  

Advertisement

[‘হুজুর ছেলেটাকে মেরে ফেলেছি’, থানায় বিস্ফোরক ব্যক্তি]

 ছেলে নিখোঁজ হওয়ার  দিন দুয়েক পর কার্শিয়াংয়ের গাড়িগুড়ো থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের লোকেরা। তদন্তে নামে পুলিশ।  উত্তর দিনাজপুর শিশু কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে উধাও ওই কিশোরের তথ্য জানাতে পারেন নিখোঁজের বাবা ইরান বল।  তারপর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন তিনি।  উত্তর দিনাজপুর জেলা শিশুকল্যান সমিতির প্রতিনিধিরা যোগাযোগ শুরু করে কৃষ্ণ বলের পরিবারের সঙ্গে। শেষপর্যন্ত পুলিশের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণকে তুলে দেওয়া হয় বাবা-মায়ের কাছে। কৃষ্ণ বলের বাবা ইরান বল বলেন, “এত বছর পর যে সত্যি ছেলেকে ফিরে পাব, তা ভাবতেই পারছি না। তবে পুলিশ খুব সহযোগিতা করেছে।” এখন ওই কিশোরের বয়স ষোলো।  বাকরুদ্ধ তার  মা প্রতিমা দেবীও। ছেলেকে কর্ণজোড়া হোমে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “ভাগ্য থাকলে যে  সব সম্ভব, তা ছেলেকে পেয়ে  আবার বুঝতে পারলাম।”  তবে উত্তর দিনাজপুর জেলা শিশুকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান অসীম রায় বলেন, “পুলিশের মাধ্যমের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ছেলেকে নিজেই মা-বাবাকে চিহ্নিত করে। তারপর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল কৃষ্ণকে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.