BREAKING NEWS

২১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ৪ জুন ২০২০ 

Advertisement

রানাঘাটের লতাকণ্ঠী রানু এখন হিমেশ রেশমিয়ার প্লে-ব্যাক গায়িকা

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: August 23, 2019 11:48 am|    Updated: August 23, 2019 11:49 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  রানাঘাটের রানুদির চর্চা এখন সব জায়গায়। কেবল গানের গলার জোরেই সকলের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর গান শুনে শ্রোতাদের মন তো ভিজেইছে, ইতিমধ্যে সুদূর মুম্বইতেও ভাব জমিয়ে ফেলেছেন রানু। কারণ, তিনি এখন রীতিমতো বলিউডের প্লে-ব্যাক গায়িকা। খ্যাতনামা সংগীতকার হিমেশ রেশমিয়ার তত্বাবধানে রেকর্ড করে ফেললেন এক নতুন ছবির গান।

[আরও পড়ুন: কচুয়ায় লোকনাথ ধামে পুণ্যার্থীদের হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু]

গত ২০ জুলাই লতা মঙ্গেশকরের ‘প্যায়ার কা নগমা’ গানটি গেয়ে রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসম্রাজ্ঞী’ হয়ে উঠেছিলেন রানাঘাটের স্টেশন চত্বরের বাসিন্দা রানু মারিয়া মণ্ডল। সেই গান ভাইরাল হতেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁর কণ্ঠের প্রশংসার বন্যা বয়ে গিয়েছিল। দিল্লির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং মুম্বইয়ের টেলিভিশন প্রোডাকশন হাউস থেকেও কাজের জন্য ডাক পেয়েছিলেন রানু। তবে পরিচয়পত্র নিয়ে বেশকিছু সমস্যা থাকায় প্রথমটায় যেতে অসুবিধে হয়েছিল। কিন্তু পরে বিধায়ক এবং রানাঘাটের ক’জন সহৃদয় ব্যক্তির সাহায্যে মুম্বইতে পৌঁছন রানু। সম্প্রতি থিম পুজোর জন্য গানও গেয়েছেন তিনি।  

তা কোন ছবিতে গান গাইলেন রানু? সূত্রের খবর, ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হির’ নামে হিমেশ প্রযোজিত এক ছবির জন্য গান গেয়েছেন রানু মারিয়া মণ্ডল। যেই ছবি আপাতত মুক্তির অপেক্ষায়। তবে চমকপ্রদ খবর হল সেই ছবিতেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সলমন খান। অভিনয় করছেন প্রযোজক হিমেশ নিজেও। ছবির সংগীতের দায়িত্বও হিমেশ রেশমিয়ার কাঁধেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় রানুর গান শুনেই বেশ মনে ধরেছিল হিমেশের। তাঁকে দিয়েই নিজের ছবির ‘তেরি মেরি কাহানি’ গান গাওয়ালেন হিমেশ। আর তাই জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘সুপারস্টার সিংগার’-এর মঞ্চে রানুকে দিয়ে গান রেকর্ড করানোর প্রতিশ্রুতিও নাকি দিয়েছিলেন হিমেশ। সেই প্রতিশ্রুতিই পূরণ করলেন এবার তাঁর প্রযোজিত ছবিতে বাংলার রানুকে দিয়ে গান গাইয়ে।

[আরও পড়ুন: হাসপাতালে প্রসূতিকে ভুল গ্রুপের রক্ত দিলেন চিকিৎসকরা! গর্ভস্থ ভ্রুণের মৃত্যু]

এপ্রসঙ্গে সংগীত পরিচালক ও গায়ক হিমেশ বলেন, “সলমন ভাইয়ের বাবা সেলিম আংকেল আমাকে একবার বলেছিলেন জীবনে প্রতিভাধর মানুষের সঙ্গে আলাপ হলে তাঁর পাশে দাঁড়াতে। যথাসম্ভব সাধ্যমতো তাঁকে সাহায্য করতে। আমিও সেই চেষ্টাই করেছি।” রানাঘাটের  স্টেশন চত্বর থেকে সোজা হিমেশের রেকর্ডিং স্টুডিওতে। স্বপ্নের মতো। কি, শুনে ‘রানু পেল লটারি’ গোছের বিষয় ঠেকছে তো? অবাক হলেও এমনটাই সত্যি। টেলিদর্শকদের কাছে ‘রানু পেল লটারি’ ধারাবাহিকটি বেশ জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সুরসম্রাজ্ঞী’ রানুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। ফুরল তাঁর অভাব অনটনের দিন। এবার বোধহয় খুলে গেল রানুর ভাগ্যের চাবিকাঠি। এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement