Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১ অক্টোবর ২০২৬
Ratna Debnath

কর্মীদের ভর্ৎসনা করে বিতর্কে স্বামী, নীতীন নবীনের মঞ্চে পিছনের সারিতে রত্না দেবনাথ

প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী শেখররঞ্জন। সেই নিয়ে দলের অন্দরে গুঞ্জনও ছড়ায়।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ২৩:৫৭

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ২৩:৫৭

options
link
কর্মীদের ভর্ৎসনা করে বিতর্কে স্বামী, নীতীন নবীনের মঞ্চে পিছনের সারিতে রত্না দেবনাথ zoom
পানিহাটির অনুষ্ঠানে বিধায়ক রত্না দেবনাথ। ফাইল ছবি
Advertisement

প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী শেখররঞ্জন। সেই নিয়ে দলের অন্দরে গুঞ্জনও ছড়ায়। সেই ঘটনার দিন কয়েকের মধ্যে বিজেপির বড় কর্মসূচিতে মঞ্চে পিছনের সারিতে দেখা গেল পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথকে। তাহলে কি স্বামীর ক্ষোভপ্রকাশের কারণেই মঞ্চে পিছনের দিকে থাকতে হল অভয়ার মা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথকে?

সোমবার পানিহাটি লোকসংস্কৃতি ভবনে ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, দলের রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও কেন্দ্রীয় নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়-সহ দলের একাধিক নেতা। তাঁদের উপস্থিতিতেই স্থানীয় বিধায়ককে মঞ্চে পিছনের দিকে দেখা গিয়েছে রত্নাকে। আর জি কর কাণ্ডের পর থেকে বিজেপি এই দম্পতিকে বরাবর গুরুত্ব দিয়েছে। আর জি কর কাণ্ডের যথাযথ তদন্ত ও শাস্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আবহেই এবার এমন ঘটনায় চর্চা শুরু হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, শুক্রবার পানিহাটি স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে শমিক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে রত্নার স্বামী শেখররঞ্জন দেবনাথ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ জানান। তাঁর অভিযোগ, “একজন বিধায়ক এখানে এসেছেন, অথচ তাঁকে কোনও পাত্তাই দেওয়া হচ্ছে না।” বিধায়কের গুরুত্বও দলীয় নেতৃত্বকে মনে করিয়ে দেন তিনি। যদিও পরে রত্না দাবি করেন, তিনি কোনও অপমানিত বোধ করেননি। যদিও বিভিন্ন মহলে শুরু হয় আলোচনা। এরপরে পানিহাটির কর্মসূচিতেই সামনের সারিতে রত্নাকে দেখা যায়নি।

পানিহাটিতে বিধায়ক শিবিরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একাংশের টানাপোড়েনের অভিযোগ অবশ্য আগেও উঠেছে। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন উত্তর শহরতলি জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়। তাঁর কথায়, “আমাদের দলে কোনও গোষ্ঠী নেই। আমরা এক পরিবার।” শুক্রবারের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, “আমি তো বিধায়িকার সঙ্গেই ছিলাম। কোনও ক্ষোভ দেখিনি।” যদিও এ বিষয়ে নতুন করে রত্না বা তাঁর স্বামীর কোনও মন্তব্য করেননি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.