Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Kalyani University

কল‌্যাণী বিশ্ববিদ‌্যালয়ে বাংলা বিভাগের গবেষণায় নতুন তথ‌্য বিজাতীয় শব্দ, শব্দকোষের ভাবনা

২০২৪ সাল থেকে চলছে এই গবেষণা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৫, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৫, ১৫:০৮

options
link
কল‌্যাণী বিশ্ববিদ‌্যালয়ে বাংলা বিভাগের গবেষণায় নতুন তথ‌্য বিজাতীয় শব্দ, শব্দকোষের ভাবনা zoom

ধীমান রক্ষিত: বাঙালি শিশুর কাছে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছে মাতৃভাষা! তরুণ প্রজন্মও স্বাচ্ছন্দ‌্যবোধ করছেন কেতাদুরস্ত কিছু শব্দের নিত্য ব্যবহারে। যার সঙ্গে ধ্রুপদী বাংলার সাদৃশ্য খুঁজতে যাওয়া বিড়ম্বনা তো বটেই। ২০২৪ সাল থেকে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের করা একটি গবেষণায় উঠে এসেছে বিজাতীয় কিছু শব্দের নিত্য প্রয়োগের বাংলার ধ্রুপদী শব্দের রূপান্তরকরণ। লোকমুখে প্রচলিত বেশকিছু শব্দ ও শব্দের তালিকা সেই গবেষণায় এসেছে।

যেমন, ‘ফান্ডা’ ‘বিন্দাস’ ‘চুলবুলি’ ‘রকেট’ ‘চম্পা’ ‘পিরিত’ বা ‘ইন্টুমিন্টু’ ‘জোশ’ ‘খাপ বসানো’র মতো একাধিক শব্দ। বাংলা ভাষা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছোটন মণ্ডল বলেন, ‘‘এই গবেষণা যখন আমরা শুরু করি, তখন অঞ্চল বিশেষের মানুষের সঙ্গে কথা বলি। দেখা গিয়েছে, হিন্দিভাষী এলাকায় থাকা বাঙালির প্রায়োগিক শব্দ বদলে যাচ্ছে। ‘আরাম লাগছে’ সে আর বলছেন না, ‘বিন্দাস লাগছে’ বলছেন। হিন্দিভাষীর ভিড়ে বাংলা শব্দের রূপান্তর ঘটছে হিন্দির ঢঙে। আবার, ‘পিরিত’ শব্দটি আমরা ঘনিষ্ঠ রসালো অর্থে বলে থাকি। এখন সেটা বদলে গিয়ে ‘ইন্টুমিন্টু’ হয়েছে। এভাবেই শব্দ বদলে বদলে যায়।’’ যদিও ভাষা নদীর মতো। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন আসে, এক ভাষা গৃহীত হয় অন্য ভাষার জায়গায়। পলিমাটির মতো সেই সব শব্দ সমৃদ্ধ করে যে কোনও ভাষাকে। এই বহমানতা না থাকলে ভাষার অপমৃত্যু ঘটে বলে ভাষাবিদদের মত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার বললেন, ‘‘গতানুগতিক কাজের বাইরে সাংবাদিকতা বিজ্ঞাপন, এমনকী কম্পিউটার নির্ভর চাকরির ক্ষেত্রেও বাংলা ভাষা প্রয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। প্রয়োগের ক্ষেত্রে সেই ভাষার শব্দচয়ন সুন্দর হওয়া প্রয়োজন এবং প্রাসঙ্গিক।’’ কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধ্রুপদী তকমা পাওয়ার পরও বাংলা ভাষার শব্দের বিকৃতি কমেনি। বাংলা ভাষার চর্চা না বাড়াতে পারলে বিকৃতি বেড়েই চলবে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি যে সমস্ত ভাষায় কথা বলা হয়, তার তালিকায় বাংলার স্থান পঞ্চমে। পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীতে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বাংলা ভাষা জানেন। কিন্তু ধ্রুপদী বাংলা ভাষার চর্চায় বদল এসেছে অনেক। বাংলা ভাষার বিশ্বমানের গৌরবের পর সেই বদলের ছবিটা কি বদলাবে, এর উত্তর খুঁজতে আগামী দিনে প্রচলিত শব্দ এবং শব্দবন্ধ নিয়ে শব্দকোষ তৈরির পরিকল্পনা করছে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.