BREAKING NEWS

১৩  আষাঢ়  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

নগ্ন ছবিতে চেনা মুখ, আতঙ্কে জগাছার মহিলারা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 27, 2017 10:54 am|    Updated: October 27, 2017 10:54 am

Revenge porn incidents in Howrah, cops clueless

ছবি - প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেটদুনিয়া জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছবিগুলো। ছড়িয়েছে মোবাইলেও। চেনা মহিলাদের নগ্ন ছবি দেখে রীতিমতো আঁতকে উঠেছেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু কী করে ফাঁস হল এ ছবি? আসলে এগুলো চেনা মহিলাদের নগ্ন ছবি নয়। পাড়ার চেনা মহিলাদের মুখ বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে অন্য কোনও নগ্ন মহিলার ছবিতে। তারপর তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। হাওড়ার জগাছায় সুপরিকল্পিতভাবে এই কাজ চালাচ্ছে দুষ্কৃতী চক্র। যদিও অপরাধীরা এখনও অধরা।

ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধৃত জগদ্দল থানার এএসআই ]

হেনস্তার শিকার হওয়া মহিলাদের কেউ কেউ জানাচ্ছেন, বন্ধু-বান্ধব মারফতই তাঁরা এ ঘটনার কথা জানতে পারেন। প্রথমে বিশ্বাসই করেননি। কেননা নগ্ন ছবি তোলার কোনও প্রশ্নই নেই তাঁদের। কিন্তু নিজেরা তা দেখামাত্র তাঁদের চক্ষু চড়কগাছ। নগ্ন মহিলার দেহে যে মুখ ভাসছে তা যে তাঁদেরই সে নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। প্রযুক্তির ব্যবহার করে কেউ বা কারা এ অপরাধ করে চলেছে। প্রথম দিকে স্কুল বা কলেজ ছাত্রীদের ছবিই ছড়িয়ে পড়েছিল। এক কলেজ ছাত্রী মনে করছিলেন, তাঁর সঙ্গে যাঁদের ঝামেলা হয়েছে, তাঁদেরই কেউ এ কাজ করে থাকতে পারেন। কিন্তু পরে পাড়ার অন্যান্য মহিলাদের ছবিও একইভাবে বিকৃত করা হয়। এমনকী গৃহবধূরাও বাদ যাচ্ছেন না। এখনও পর্যন্ত ওই এলাকারই অন্তত ২০ জন মহিলা এই ঘটনার শিকার হয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে।

অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও তুলে মন্ত্রীকে হুমকির অভিযোগ, গ্রেপ্তার সাংবাদিক ]

বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুলিশ এই ঘটনাকে প্রথমে গুরুত্ব দিতে চাননি। হেনস্তার শিকার হওয়া মহিলাদের দাবি ছিল, কোনওভাবে যে ছবিগুলি ছড়িয়েছে তা ডিলিট করার বন্দোবস্ত করুক পুলিশ। কেননা বিকৃত নগ্ন ছবি মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে  পড়ার ফলে রাস্তাঘাটে মুখ দেখাতে পারছেন না তাঁরা। রীতিমতো ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও গোড়ার দিকে তেমন সহায়তা মেলেনি বলেই নিগৃহীতাদের অভিযোগ। যদিও ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে জগাছা থানার পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম। যেহেতু জগাছারাই কুড়ি জন মহিলার ছবিকে বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে, তাই এই চক্র স্থানীয় বলেই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। তবে এখনও পর্যন্ত অপরাধী অধরাই।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে